Robbar

শতবর্ষ আগের একটি মৃত্যু ও দার্জিলিংয়ের প্রায় নির্জন সংগ্রহশালা

কর্মভারে অসুস্থ হয়ে, ডাক্তারের নির্দেশে দার্জিলিং এসেছিলেন চিত্তরঞ্জন দাশ। পাহাড়ের হাওয়াবদলি শুশ্রূষার আশায় উঠেছিলেন নৃপেন্দ্রনাথ সরকারের ‘স্টেপ অ্যাসাইড’ বাড়িটিতে। এ বাড়িতে তাঁকে দেখতে এসেছিলেন বেসান্ট, গান্ধিজিও। কিন্তু ফেরা হয়নি তাঁর। ঠিক ১০০ বছর আগে এ-বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন দেশবন্ধু। কেমন ছিল ১০০ বছর আগের সেই শান্ত সাদা বাড়িটির স্তিমিত অনুভূতি?

→

বাংলা কার্টুনে বর্ষা-ফুর্তি

সকাল থেকে ঝিরঝির। টিপটিপ। মেঘলা আকাশ। আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে, রোববার.ইন নিয়ে এল বাংলা কার্টুনের বর্ষাকাল। কার্টুন যখন সংবাদপত্রর পাতা থেকে ক্রমে উধাও হয়ে যাচ্ছে, তখন হঠাৎ কালো মেঘের মতোই এই লেখার এসে পড়া। প্রিয় পাঠক, পড়ুন, দেখুন। বাংলা কার্টুনের পাশে থাকুন।

→

নামের আগেপিছে ঘুরি মিছেমিছে

নাম উচ্চ-বাতিস্তম্ভের গোড়ায়, নাম গাছের আগায়, নাম পার্কের রেলিং-এ, নাম শৌচালয়ে, নাম মন্দিরের গায়ে। কত পিতৃভক্ত-মাতৃভক্ত তাঁদের জন্মদাতা-দাত্রীর স্মৃতিতে ফলক লাগায় মন্দিরে, নিজের নামটাও বড় করে খোদাই করে রাখে অধম সেবক রূপে।

→

নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে জেহাদই রঘু ঘোষকে ‘রঘু ডাকাত’ বানিয়েছিল

পিতার মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া হয়ে ওঠেন রঘু ঘোষ। ক্রমে গ্রামের লাঠিয়ালদের থেকে লাঠিখেলা শিখে অর্জন করেন বাহুবলের ক্ষমতা। একসময় লাঠিখেলায় তাঁর অসামান্য দক্ষতা দেখে চমকে উঠতেন সবাই। সেই খেলার লাঠিই তাঁর কাছে হয়ে ওঠে নীলকর সাহেবদের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার অস্ত্র।

→

ক্রিকেটের শাপমোচন কি আদৌ বদলাতে পারবে দক্ষিণ আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ-বিদ্বেষ?

ক্রিকেট তো আসলে জীবনের কথাই বলে। যে জীবন লড়তে জানে। লড়ে জিততে জানে। এমন লড়াইয়ের মঞ্চে কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গ মেলবন্ধন– এমনটাই তো চেয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। চেয়েছিলেন নেলসন ম্যান্ডেলা। কৈশোরের স্বপ্নের মাঠে সেই আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবে পরিণত করলেন বাভুমা।

→

গোপাল ঘোষের তুলির আঁচড়ে ছিল চাইনিজ টান আর ছবির ওজনে ইউরোপ

কাগজের নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে অনেকক্ষণ চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিলেন গোপালবাবু। তারপরে বিদ্যুৎগতিতে দ্রুত ব্রাশ চালিয়ে আঁকলেন একটি গাছ এবং দু’-একটা ডালপালা, কাগজের মাঝখান থেকে একটু বাঁদিকে। ততোধিক দ্রুততায় আঁকলেন একটি কালো রঙের পাখি, মুন্ডুটা গলার কাছে কুঁচকে এনে, এক্ষুনি যেন লাফিয়ে ডানা মেলে টেক অফ করবে সে।

→

শান্তিনিকেতন থেকে কলেজ স্ট্রিট, প্রুফ আদান-প্রদানে সহায়ক ছিলেন বই ব্যবসায়ীরাই

শান্তিনিকেতন থেকে সুবর্ণরেখা-র ইন্দ্রদাও (ইন্দ্রনাথ মজুমদার) কখনও স্নেহপরবশ হয়ে আমাকে প্রুফ এনে দিয়েছেন। তবে ‘বোলপুর বুক হাউস’, ‘পুঁথিঘর’, ‘বর্ণপরিচয়’– এইসব বইয়ের দোকানের কাছে আমার অনেক ঋণ।

→

মানুষ বড় কাঁদছে, লাইক-শেয়ার-ফলো করে তার পাশে দাঁড়ান

‘দুর্ঘটনা-সাহিত্য’র সেই স্বর্ণযুগ আজ চলে যেতে বসেছে! তার বদলি হিসেবে অবশ্যি এসেছে অ্যানালিটিক্স ও থিওরিক্সের অ্যাডভেঞ্চারের গালগল্প! কাল বিমান দুর্ঘটনার পর হাতেনাতে প্রমাণ পেয়েছি।

→

রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে একজন থিয়েটারশিল্পীর দায়িত্ব কী, মনে করায় যে বই

এক দীর্ঘ পথচলা। সময়ের ধারাপাতে ব্যক্তি দেবেশের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলেমিশে যায় থিয়েটারকর্মী দেবেশের রোজনামচা। এই গ্রন্থ তাঁর অন্বেষণের সফর।

→

যে আবহমান জাপানের কথা লিখছেন কাওয়াবাতা, তার কাছেই আজ ফিরতে চাইছে পৃথিবী

প্রথম জাপানযাত্রার রবীন্দ্রনাথকে দেখে স্কুল-পড়ুয়া কাওয়াবাতা-র মনে হয়েছিল যেন বা প্রাচীন প্রাচ্যের কোনও জাদুকরকে দেখছেন! ঘটনাক্রমে রবীন্দ্রনাথ প্রথম এশীয়, যিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান আর তাঁর পাঁচ দশক পরে এশিয়ার দ্বিতীয় প্রাপক হিসেবে একই পুরস্কার পান জাপানের ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার ইয়াসুনারি বা কোসেই কাওয়াবাতা।

→