মাঝে-মাঝে বড় দোটানা হয় অনুষ্টুপকে নিয়ে। তিনি কি শুধুই অ্যাড্রিনালিনের আশীর্বাদেই ম্যানড্রেক? নাকি প্রতিশোধও নেন অতীতের ওপর?
কাবাবের সঙ্গে তো সেই পুরাণ, রামায়ণ, মহাভারতের সম্পর্ক! হ্যাঁ, নাম হয়তো আলাদা ছিল, কিন্তু খাবারটা তো কাবাবই ছিল!
প্রাপ্তবয়স্ক ‘পুরুষ’ মানেই যে রবীন্দ্রনাথের মতো দাড়ি গজাবে বা আশু মুখুজ্জের মতো তাগড়াই গোঁফ হবে, তা তো নয়।
কীভাবে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে দাঙ্গা লাগাতে হয়, তার নিখুঁত ছবি রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে-বাইরে’।
স্থানীয় মানুষ ‘তক্র’ আর ‘তর্ক’ শব্দদু’টির একটাই অপভ্রংশ বানিয়ে তাঁর নামকরণ করল ‘তক্ক পণ্ডিত’।
আটের দশকে, দিনে ২৫ টাকা মাইনেতে, বাচ্চাদের পড়াতে চলে গেলেন তিনি, অজগাঁ নামালডিহায়।
সাত বছরের রবি পড়াবে ন’বছরের কাদম্বরীকে। কাদম্বরী মানবে ওকে?
সকালে যে-বাড়িতে ঘুম ভাঙে, সে-বাড়িতে পয়লা কাপ চা এবং খবরের কাগজটি আদ্যপান্ত পড়া হলে পর পর বাংলা-ইংরিজি-হিন্দি-উর্দু সব রকমের সংবাদ রেডিওয় একটানা শোনা চাই।
রেশমি আবিষ্কার করছে নিজেকে নতুন করে।
ভারতীয় হেঁশেল, সে যতই আমিষ-বিমুখ হোক, কোফতা বিমুখ কিন্তু এক্কেবারেই না।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved