Robbar

কলাম

ওয়েলিংটনে সুরা সফরের ‘পাতাললোক’

মানুষ কতটা নিরুপায় হলে বমির পাশ থেকে বাংলার বোতল তুলে নেয়? কতটা অসহায় হলে সে ভ্রূক্ষেপ করে না প্রস্রাবের ‘সুবাস’? কতটা হিতাহিতশূন‌্য হলে তার চোখে পড়ে না আবরণের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে থাকা আরশোলার শুঁড়?

→

তেনাদের পুজো, তেনাদের মেলা-মোচ্ছব

প্রাচীন ভারতবর্ষে সবচেয়ে জনপ্রিয় লোক উৎসব অর্থাৎ ‘মহামহ’ পরব ছিল চারটি– ইন্দ্রমহ, স্কন্দমহ, যক্ষমহ এবং ভূতমহ। প্রাকৃত ‘মহ’ শব্দ থেকে একালের ‘মেলা’ কথাটি এসেছে। ভূতমহ পালিত হত চৈত্র পূর্ণিমায়। ভূতমহ লুপ্ত হলেও, এখনও ভূত বা রাক্ষস-রাক্ষসীর পুজো হয় বাংলার বিভিন্ন স্থানে।

→

নরম পায়রার জন্ম

আগামী ১০ তারিখ বুকার পুরস্কারের ঘোষণা। কিরণ দেশাইয়ের সাম্প্রতিকতম বইটি কি বুকার পেতে পারে?

→

জাপানের আসবাবহীন পরিমিত ঘরের ঘরানায় গড়ে উঠেছিল রবীন্দ্রনাথের শ্যামলী

১৯৩৯-এ উদীচি তৈরি হয়। কিন্তু এই সময় সেঁজুতি বই প্রকাশিত হল। ফলে বাড়ির নাম ঠিক হল ‘সেঁজুতি’। রবীন্দ্রনাথ মজা করে রাণী চন্দকে বলেছিলেন, ‘এক-একটা বইয়ের সঙ্গে এক-একটা বাড়ি; বিশ্বভারতী ফতুর হয়ে যাবে, কি বলিস?’

→

শিল্পকলায় বিষ্ঠা মানে ব‍্যঙ্গ, বিদ্রুপ অথবা প্রতিবাদ

একসময় পাবলো পিকাসোও নাকি তাঁর মেয়ের মল দিয়ে ছবি এঁকেছেন। শিল্পীর উজ্জ্বল বাদামি রঙের সে এক রহস্য। পেজ সিক্সের রিপোর্ট অনুসারে, ‘পু-ক্যাসো’ সম্পর্কে খবরটি শিল্পীর নাতনি ডায়ানা উইডমায়ার পিকাসোর কাছ থেকে এসেছে এবং এটা ছিল অনেকদিনের পারিবারিক গোপনীয়তা। ১৯৩৮ সালের স্টিল-লাইফ সিরিজে ওঁর সেইসব ছবি প্রদর্শিত হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।

→

যা লিখেছেন, না লিখে পারেননি বলেই লিখেছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

শীর্ষেন্দুদার আজ ৯০ তম জন্মদিন। আমার সঙ্গে তাঁর পরিচয় বিমল করের মাধ্যমে ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’র দপ্তরে। ততদিনে শীর্ষেন্দুদা রীতিমতো বিখ্যাত লেখক। দে’জ থেকে তাঁর প্রথম বই ‘আক্রান্ত’ ছাপা হয় ১৯৮৫ সালের বইমেলার সময়। সেই হিসেবে তাঁর সঙ্গে দে’জ পাবলিশিং-এর সম্পর্কের এটা ৪০ বছর পূর্ণ হল।

→

সরোজিনী ছিল আমাদের আদিম বিকল্প

শতাব্দী জুড়ে থাকা এই ময়নাতদন্তের ধারাবাহিক প্রকাশ প্রমাণ করে যে কথকতার দায় আর কবির নয়। বরং কবিতা সৌন্দর্যপ্রথার যে মাংসল প্রবর্তন সম্ভব করেছে, তাতে কবির প্রতি শর্তহীন আনুগত্য ছুড়ে ফেলে বহুগামিনী সরোজিনী ক্রমেই দাবি করেছে পাঠকের রতিমুখরতা।

→

হেমন্তের আপত্তি মানেননি ভি বালসারা

‘ভুল সবই ভুল’– গানটা পর্দায় এল, এক গভীর আবেগের দৃশ্য, হেমন্তবাবুর সুর তরঙ্গের মতো ছড়িয়ে পড়ল, ভি বালসারার অর্কেস্ট্রা গলির মোড় থেকেও যেন শোনা গেল, আর তার মাঝেই সুজাতা চক্রবর্তীর কণ্ঠ শ্রোতাদের বুকের ভিতর কোনও নরম, শব্দহীন জায়গায় গিয়ে বসে রইল।

→

অমরত্বের জাল কাঁপানো এক চিরকালের বন্ধুত্ব

বন্ধু, অর্থাৎ, ফেরেঙ্ক পুসকাস চলে গিয়েছিলেন বছর ৭৯-এ। সাতের ঘরের ন্যুব্জ বৃদ্ধ ডি’স্টেফানো আর কি মনে করতে পারতেন সোনালি রিয়াল, ’৫৮ থেকে ’৬৪-র রিয়াল মাদ্রিদকে? সেই সব ফাইনাল? আলফ্রেডোর সঙ্গে জুটি, ডুয়ো, কোচ মিগুয়েল মুনোজের টিমের ভয়ংকর সাদা জার্সি, গোল, দর্শক, চিৎকার– চলে যায়, একসময় সব চলে যায়।

→

বাঙাল ভাষা রপ্ত না হলেও ‘দ্যাশের বাড়ি’র প্রতি জ্যোতি বসুর টান ছিল অতুলনীয়

ঢাকার বিপ্লবী মদনমোহন ভৌমিক জ্যোতি বসুদের বারদীর বাড়িতে আত্মগোপন করেছিলেন। ডাক্তার বাড়ি বলে তেমন কেউ সন্দেহ করত না। তাই বিপ্লবীদের ভরসার আশ্রয়স্থল ছিল বসুদের বারদীর বাড়ি।

→