Robbar

কলাম

বাউন্সারে উপড়ে ফেলা দাঁত ব্যাটারকে দিয়ে বলেছিলেন পরে লাগিয়ে নিতে

সমর চক্রবর্তী বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি আলাদা। তিনি ‘জওয়ান’। চরম ধারালো, চলমান এক ‘অফ কাটার’!

→

যে হৃদয় প্রীতিতে কোমল, দুঃখের আগুন তাকেই আগে দগ্ধ করে

রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস করতেন, সমস্ত মানুষের সুখদুঃখকে এক করে একটি পরম বেদনা, পরম প্রেম আছে।

→

বিলক্ষণ বুঝতে পারছি, চ অ্যালবামটা মাথা খাচ্ছে ঋতুদার

ঋতুদাকে দেখে মনে হচ্ছে, বাচ্চা ছেলেরা যেমন অবসেসড হয়ে যায় বিশেষ খেলনা নিয়ে, ঋতুদার অবস্থা তাই।

→

এক বাঙালি বাড়ি আসবে বলে দু’রকমের মাছ রেঁধেছিলেন নানা পাটেকর

নানা কথা বলছিলেন একেবারে ডায়লগ বলার মতো করে। যেমনটা সিনেমায় এতকাল দেখে এসেছি।

→

খেটে খাওয়া মানুষের সহজ পাঠ, রাজনৈতিক দল যদিও সেদিন বোঝেনি

ভাষা শিক্ষার প্রথম ভাগেই পড়ুয়াদের কাছে শ্রমের বিবরণে দেশটা যাতে বাস্তব হয়ে ওঠে সে চেষ্টাই করেছেন রবীন্দ্রনাথ।

→

একদিন হঠাৎ সুভাষদা আমাদের বাড়ি এসে উপস্থিত ফয়েজ আহমেদ ফয়েজকে নিয়ে

সুভাষদার ৫৯ বছর পূর্তি উপলক্ষে তাঁর জন্মদিন আমরা পালন করেছিলাম মস্কোয়, ননী ভৌমিকের বাড়িতে।

→

শ্রীরাধার মূর্তিকে কনের সাজে যুগল কিশোর মন্দিরে পাঠিয়েছিলেন রাজা কৃষ্ণচন্দ্র

বিগ্রহ দর্শনে বিচ্ছেদ যন্ত্রণা ঘোচে, সেই বিশ্বাসে আজও ভিড় জমে যুগল কিশোর মন্দিরে।

→

পারো যদি বজ্র হয়ে এসো

যদি ভেবে থাকেন, ঝড়ের টানে ভেসে গিয়ে মুরারি মুখোপাধ্যায় দ্রোহকালের অশ্বারোহী হয়েছিলেন– ভুল করবেন!

→

বাবুদের শহর যেভাবে বদলে গেল আবেগের শহরে

বাবুয়ানির কলকাতায় যেন ‘ধর্মের’ কোনও জায়গা নেই।

→

গানই ভেঙেছিল দেশজোড়া সিনেমাহলের সীমান্ত

সুরই আদতে মিত্রা, দর্পণা, মিনার, প্রাচী-র অন্ধকারের সীমা ছাড়িয়ে সিনেমাহল-কে করে তুলেছিল, সততই জনতার।

→