

‘সনিষ্ঠ’ শব্দটা প্রবোধচন্দ্র সেন তাঁর লেখা সন্জীদার পরিচিতিতে ব্যবহার করেছিলেন। নিষ্ঠাটাই ছিল সন্জীদার পরবর্তী বইগুলোরও মূল পরিচয়। তাই দেশভাগের সাহিত্য নিয়ে গবেষণা করছেন যখন তখন খুঁজে পেতে চাইছেন নতুন দিকচিহ্ন।
শক্তি উত্তেজিত হয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছেন যে, এই মুহূর্তে কবি নয় বাংলায় প্লাম্বার বেশি দরকার। এত মানুষ কেন কবিতা লিখবে? এই যে এত কবিতা লেখা হচ্ছে, সেগুলোকে কি আদৌ ‘কবিতা’ বলা যায়? রশিদও পাল্টা যুক্তি দিচ্ছেন। শক্তি বুঝিয়েই চলছেন অ্যাসেম্বলি লাইনে মাস প্রোডিউসড বাংলা কবিতার বিরোধিতা করবেন।
পাড়-বাঁধ দিয়ে প্লাবনভূমিতে বন্যার জল ঢুকতে না পারায় নদীখাত অগভীর হচ্ছে। বন্যার জল ধরার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে নদীর।
কৃষিকাজ শুরুর পর থেকেই শুরু হল ভূমির ওপর মানুষের অধিকার কায়েম করবার প্রয়াস, ব্যক্তিগত বা যূথবদ্ধ লড়াই। সেই লড়াই, চলেছে তো চলেছেই।
শান্তিনিকেতন কবিতা লেখার জায়গাই নয়। শক্তি চট্টোপাধ্যায় বিশ্বভারতীতে বাংলা বিভাগে পড়াতেন যখন, বলেছিলেন একথা। সে নিয়ে নানা উষ্মাও তৈরি হয়েছিল। এই লেখা অধ্যাপক শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের শান্তিনিকেতন পর্ব। কবির মৃত্যুদিনে রোববার.ইন-এর প্রণতি।
স্বাধীন দেশে যেন ফিরে এসেছে একদা উপনিবেশ সংস্কৃতি। এ দেশের যাবতীয় প্রাকৃতিক ও ভূসম্পদ ব্যবহার করে বিদেশে রফতানি করে শোষণের যে নীতি গ্রহণ করেছিল ঔপনিবেশিক শক্তি, স্বাধীন দেশে স্বাধীন জনসমাজের চোখের সামনে তার প্রাকৃতিক সম্পদকে একইভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। লক্ষ্য অবশ্যই উন্নয়ন। ভারতের উন্নয়ন।
বিশ্ব কবিতা দিবসে, বুদ্ধদেব বসুর লেখা অপ্রকাশিত চিঠি রইল রোববার.ইন-এর পাঠকদের জন্য। চিঠিটি ১৯৫৬ সালের, ১৮ অক্টোবর লেখা। লিখেছিলেন তরুণ কবি সুনীল বসুকে।
বাংলা ভাষা আর বাঙালিদের সঙ্গে তাঁর বিনিময় ছিল না বললেই চলে। তাঁর কবিতা বাংলা ভাষায় নয়ের দশকের আগে অনুবাদ হয়েছে বলে মনে পড়ছে না। রমাকান্ত রথও বাংলা কবিতা পড়তেন না। বাংলা বর্ণমালা শেখেননি আর সে কথা নিজের মুখে আমাকে বলেছিলেন।
কেয়া অধ্যাপনা ছেড়েছিলেন সর্বক্ষণের থিয়েটার কর্মী হওয়ার তাগিদে। অধ্যাপনা করতে করতে মন দিয়ে থিয়েটার করা যাচ্ছিল না। অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নিয়েছিলেন এক কঠিন শপথ। গ্রুপ থিয়েটারকে ‘মিডল ক্লাস ‘হবি”-র গণ্ডি থেকে বের করে আনার শপথ।
নীল রঙে আমাদের ঘুম ভাঙে। আর লালে ঘুম পায়। বৈজ্ঞানিকেরা বলেন, এগুলো সবই বিবর্তনের সঙ্গে যুক্ত। সকালের আলোয় নীল বেশি। হাজার হাজার বছর ধরে গুহা থেকে বেরিয়েই আকাশের দিকে তাকালেই একরাশ নীল আলো এসে রেটিনায় ঝাঁপিয়ে পড়ে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved