Robbar

রোজনামচা

অম্লান দত্তের ‘ফর ডেমোক্রেসি’ পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন আইনস্টাইন

আত্মপরিচয় জ্ঞাপনে তিনি কী বলতে চাইছেন, তা বোঝার মতো বোধ আমরা বিক্রি করে দিয়েছি ভোট-সর্বস্ব এবং ক্ষমতার মধুভাণ্ড চেটেপুটে খেতে চাওয়া অপ-রাজনৈতিক সমাজের কাছে। তাই তিনি বহু দূরের অনাবিষ্কৃত জ্যোতিষ্ক‌ই থেকে যাবেন আমাদের কাছে।

→

হলুদের বহুমুখী মানে, কৈশোরের এক সরস্বতী পুজোতেই বদলে যায়

মনে হল, এই রং গায়ে না মাখলে মানুষ হব না। তাই হলদেটে পাঞ্জাবি, নিচে ক্ল্যাসিকাল ধুতি।

→

বাংলা গানের সরস্বতীর বাড়িতেই হত সরস্বতী পুজো, করতেন উপোসও

আজ হয়তো সবার অলক্ষ্যে সংগীতের সাধনায় মেতে আছেন সরস্বতীর দুই শ্রেষ্ঠ সন্তান।

→

প্রেমে ফেল করলে পাশ করায় পাশবালিশ

অনেক রাতের মেসেজ এলে, শুধুই কি ডেকে দেয় স্মার্টফোনের সচকিত আলো? পাশবালিশ ডাকে না?

→

শুধু স্লেট-পেনসিলে নয়, পকেটমারিতেও হয় হাতেখড়ি

ইনকনফিডেন্ট নায়ক অমল পালেকরকে রমণী-মোহন বিদ্যায় হাতেখড়ি দিয়েছিলেন অশোক কুমার।

→

সরস্বতী নদী ও আদিগঙ্গা: প্রচলিত মৃত্যু-তত্ত্বের বিপরীতে

সিজার ফ্রেডরিকের লেখাতেই পেয়েছি, ষোড়শ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে সরস্বতীর ঊর্ধ্বপ্রবাহের নাব্যতা এমন কমে আসে যে, জাহাজগুলি সরস্বতী-পথে এসে বেতড়ে নোঙর করতে বাধ্য হত। তারপর, ছোট জাহাজ নিয়ে সপ্তগ্রামে যাত্রা।

→

আদিতে চার হাত, তবে সরস্বতী দু’-হাতেও বিদ্যেবতী

চার হাত করতে গিয়ে সরস্বতী মূর্তিকে কালী মূর্তি করে ফেলা চলবে না।

→

ইলিয়াস এবং আমাদের মধুর করুণ বাসনা

অজস্র উপমা-চিত্রকল্পে সেজে থাকে ইলিয়াসের গল্প-উপন্যাস, অপরের চিন্তা এসে, দৃষ্টি এসে ঢুকে পড়তে পারে তাঁর প্রসারিত চেতনায়।

→

সুভাষের রিপোর্টাজকে মানুষের আর্ট গ্যালারি বললে অত্যুক্তি হবে না

সুভাষ একটানে বাংলার মানচিত্রটা বড় করে দিলেন। ‘আহা কলকাতা! বাহা কলকাতা!’ করে হেদিয়ে মরা মধ্যবিত্ত বাঙালির চেতনায় মস্ত এক টান দিলেন। হেঁটে দেখতে শেখালেন। বাংলার মুখ যে শুধু টালা থেকে টালিগঞ্জ নয়, এমনকী, রেল লাইনের গায়ের মফস্‌সল থেকেও অনেক ভেতরে যে স্পর্শ করা যায় বাংলার আত্মা, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন।

→

কমলকুমারের ‘অঙ্ক ভাবনা’-কে অঙ্কের ‘সেরা’ পত্রিকা বলেছিলেন গণিতজ্ঞরা

কমলকুমারের সমগ্র শিল্পীজীবনটি ছিল এককথায় রঙিন– বর্ণময়। এসবের পাশাপাশি সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুতে সরে গিয়ে দু’টি বিচিত্র বিষয়ের পত্রিকার সম্পাদনাও করলেন। ‘তদন্ত’ আর ‘অঙ্ক ভাবনা’।

→