৭৩-এ পা দিলেন অঞ্জন দত্ত। তাঁর জীবন– কবিতা-গল্প-উপন্যাস নয়, সার্কাস। সার্কাস যে, তিনি লিখেছেন নিজেই, তাঁর সদ্য প্রকাশিত ‘অঞ্জন নিয়ে’ বইতে। কলকাতা আর দার্জিলিং বুকের মধ্যে নিয়ে ঘুরে বেড়ান তিনি আজও। মনে করেন, এই দুটো শহরই জৌলুস হারিয়েছে, কিন্তু এখনও ফুরিয়ে যায়নি একেবারে।
শতবর্ষে পা দিলেন পরিচালক শক্তি সামন্ত। মিলেনিয়াম-পরবর্তী হিন্দি সিনেমায় থ্রিলারের সম্রাট, শ্রীরাম রাঘবন, শক্তি সামন্ত-র থ্রিলার ও রোমান্সের একান্ত অনুরাগী। ‘মেরি ক্রিসমাস’ ছবিটি শুরুই হচ্ছে শক্তি সামন্তকে উৎসর্গ করে। এহেন দ্রোণাচার্যের জন্ম-শতবর্ষ উপলক্ষে, রোববার.ইন-এর তরফে, একলব্য শ্রীরামের সঙ্গে আড্ডায় বসলেন উদয়ন ঘোষচৌধুরি।
ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। জন্মাবধি দৃষ্টিহীন। পেশায় শিক্ষক। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে জড়িয়ে রয়েছেন রামকৃষ্ণ মিশন ব্লাইন্ড বয়েজ অ্যাকাডেমির দৃষ্টিহীন ছাত্রদের শিক্ষাদানের সঙ্গে। জড়িয়ে রয়েছেন পূর্ব ভারতের প্রাচীনতম ব্রেইল প্রেসটির সঙ্গেও। বিশ্ব ব্রেইল দিবস উপলক্ষে তাঁর সঙ্গে কথাবার্তায় উঠে এল দৃষ্টিহীন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা, মানসিক বিকাশ থেকে শুরু করে বাংলা ভাষায় ব্রেইল ছাপার বহু অজানা ইতিহাস।
আজ ১৪ নভেম্বর, শিশুদিবস। শিল্পী প্রণবেশ মাইতি, প্রায় ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন বাংলা বইয়ের প্রচ্ছদ ও অলংকরণ নিয়ে। গড়ে তুলেছেন বাংলা অলংকরণের ইতিহাস। এখন তিনি ব্যস্ত হয়ে রয়েছেন শিশুসাহিত্যের অলংকরণ নিয়ে একটি প্রামাণ্য বই গড়ে তুলতে। রোববার.ইন-এ শিশুদিবস উপলক্ষে রইল প্রণবেশ মাইতির বাংলা শিশুসাহিত্যের অলংকরণ বিষয়ক কথাবার্তা।
অসম্ভব প্রতিভার সঙ্গে হৃদয় ঠিকঠাক মিশে গেলে, কী হয়, তা তৃপ্তিদির সঙ্গে অল্প মিশলেই বোঝা যেত। যতটা হৃদয়বতী হওয়া সম্ভব, তিনি তাই-ই ছিলেন।
অর্ধশতাব্দীর বেশি সময় ধরে আর্ট কলেজের ফিগার মডেল হিসেবে কাজ করছেন শোভা বিশ্বাস। তাঁর শরীর থেকেই গড়ে উঠেছে বহু ছাত্রের শিল্পের পাঠ। শরীর সেখানে ভেঙে যায় শুধু ফর্ম আর লাইনে। কিন্তু ক্যানভাসের বাইরে, ব্যক্তি শোভা বিশ্বাস-কে কীভাবে দেখেছে সমাজ? নিজের পেশাকে, অর্থনৈতিক অবস্থানকে তিনিই বা কীভাবে দেখেছেন? তাঁর নিজের কথা, রোববার.ইন-এর পাতায়।
কবিতা, উপন্যাস, আত্মজীবনী। লিখতে লিখতেই দেশ ছাড়া, কলকাতা ছাড়া। লিখে যাওয়া তবু। মেয়েদের জন্য কথা বলে যাওয়া। শিকড় তাঁকে আজও টানে। পিছুটান আছে তাঁর এখনও। জানাচ্ছেন একান্ত সাক্ষাৎকারে তসলিমা নাসরিন।
ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল রটারড্যামে টাইগার অ্যাওয়ার্ড বিজয়ী প্রথম ভারতীয় ফিল্মমেকার, সনল কুমার শশীধরন; তাঁর‘সেক্সি দুর্গা’ সিনেমাটির জন্য। রইল তাঁর এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার।
বাগবাজার সর্বজনীনের দুর্গা মাতৃপ্রতিমার যে চিরায়ত চোখ, ‘বাংলা’ চোখ– তা তাঁরই আঁকা। বহু মানুষের ভিড়, বহু মানুষের আশা, ভক্তির আয়ু বাড়ে এই প্রতিমার চোখের দিকে তাকিয়েই। কিন্তু এত আলো-শব্দ-উৎসব– কোনওকিছুই চেনায় না সেই শিল্পীকে, যিনি দীর্ঘকাল ধরে চোখ এঁকে চলেছেন এই দুর্গাপ্রতিমার। তিনি খোকাদা।
১৫ বছর আগে, ‘হারবার্ট’ করার পর থেকেই ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ উপন্যাস নিয়ে ছবি করার ইচ্ছে ছিল পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায়ের। একাধিকবার চেষ্টা করেছেন; বদলে গেছে প্রযোজক, কলাকুশলী। অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved