

‘বঙ্গদর্শনে’র মতো একটি উচ্চমানের মাসিক পত্রিকা সচল থাকা অবস্থাতেই হঠাৎ সঞ্জীবচন্দ্র আর একখানি পত্রিকা প্রকাশ করলেন কেন?
নিঃশব্দ দীপাবলি। তামিলনাড়ুর ৭টি গ্রামে। কারণ? পরিযায়ী পাখিদের সমস্যা হবে।
পর্দায় যেখানে আলোর জীবনে হাজার চরিত্রের ভিড়, সেখানে অন্ধকারকে একটা ছায়াও সঙ্গ দেয় না। সেজন্যেই বোধহয় রামায়ণে রাবণছায়া বেশি মরমী।
পরশুরামের গল্পের ভূত কিংবা না-ভূতকে আমরা সহজেই চিনি, কিন্তু সেই পরিবেশটাও তো আজ ভূতই। ‘ভূশণ্ডীর মাঠে’র চরিত্রগুলিও ভূত। আমাদের চেনা স্বভাবের লোক বলেই মনে হয় তাদের। কিন্তু যে পরিবেশে তারা জীবনোত্তর জীবনযাপন করে গিয়েছে সত্যিই কি আজও তা আমাদের চেনা?
দিওয়ালি পুতুল কখনও দীপলক্ষ্মী হয়েছে তো কখনও সে রাধা, আবার কখনও সে শাশ্বত আদি মাতৃকার প্রতীক হয়ে আমাদের মুক্তির আলো শত প্রতিকূলতার মধ্যে বহন করে চলেছে।
রেমব্রা-র জীবন আর ভ্যান গঘের জীবনে যেন শত যোজন দূরত্ব! তবু যেন এক অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা দু’জনের জীবন।
এই নিজস্বতাহীন একটা ঋতু, একটা সময় আমাদের জীবনের কিছু মানুষের মতো, আড়ম্বরহীন।
যেমন বাসরযুদ্ধ ইতিহাস, তেমনই আগামিদিনে বাসর ঘরও ইতিহাস হবে, আধুনিকতার দমকা হাওয়ায়।
সোজাসুজি প্রশ্ন ঠুকে দিলাম এআই চরণে। যাকে নিয়ে এই আলোচনা, সেই বলুক। জিজ্ঞেস করলাম, ‘আচ্ছা, তুমি কি সাহিত্যে নোবেল পেতে পারো?’ সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় যা হয় এআইয়ের, এবারও হল ঠিক তাই।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved