এই প্রম্পট যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হত? পাটুলি থেকে পেনসিলভানিয়া। বাগনান থেকে ব্লুমসবেরি। প্রেমিকার হাত ধরে মিনিটে মিনিটে ছবি। একটা কাল্পনিক প্রি-ওয়েডিং শুট। টিউলিপ গার্ডেন। কিঞ্চিৎ বেহালা। পাগলি তোমার সঙ্গে জেমিনাই জীবন কাটাব। কিংবা ওয়ামিকা গাব্বির কাঁধে মাথা রেখে একটা সেলফি। এই যে এত ছবি, এত প্রম্পট, এত লাইকপ্রাণ পায় কী থেকে? একটা দুর্বার ইচ্ছে। একটা স্বপ্ন। একটা ইটারনাল দুঃখ। সেইসব কি তবে ফুরিয়ে যাবে? বহু আকাঙ্ক্ষিত সুদিন কি দুয়োরে?
এখন যা পড়ে রইল তা অজস্র বইয়ের কঙ্কাল। তার হোমও নেই, যজ্ঞও নেই। এমনকী, কেজি দরে বিক্রির ভবিষ্যৎ নেই। সুরাহার পথ আপাতত কী? কে দাঁড়াবেন এই দুঃসময়ে? সরকার? গিল্ড? স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন? হঠাৎ তৈরি করা কোনও ক্রাউড ফান্ড?
অনেকে অনেক দাম দিয়ে আমার থেকে কিনতে চেয়েছেন অনেকবার, আমিই রাজি হইনি। এখন ভাবছি, কেন হইনি– রাজি হলে কারও কাছে অন্তত তা অক্ষত থাকত! বিধবা বিবাহ চালু হওয়ার সময়কার লিফলেট। তা বিলি করেই প্রচার করা হত সমাজে। কে, কত অনুদান দিচ্ছেন– লেখা ছিল সেসব তথ্যও।
বাঙালি কর্মকেই ধর্ম করেছিল। এখন ধর্মকে কর্ম বানানোর উদ্যোগ চালু হয়েছে। সেটা সোশ্যাল মিডিয়ার রিল হোক বা রাজনীতির মঞ্চ।
আরবি ভাষায় ‘সুমুদ’ কথাটার অর্থ প্রতিরোধ। সেই সুমুদের ঢেউয়ে আছড়ে পড়ছে সুদান, কঙ্গো, কাশ্মীর-সহ বিভিন্ন মুক্তি সংগ্রামের প্রতিরোধের স্রোত। সেই দিনবদলের জোয়ারেই জর্ডান নদী থেকে ভুমধ্যসাগর যেন গেয়ে উঠছে– ‘ঢেউ উঠছে, কারা টুটছে, আলো ফুটছে প্রাণ জাগছে’।
যাঁরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন তাঁদের গরিষ্ঠাংশ কিন্তু সংখ্যাগুরু হিন্দু সম্প্রদায়েরই মানুষ। যাঁরা এই নির্বাচন কমিশনের নতুন ফরমানে সবচেয়ে বেশি হয়রানির শিকার হচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় আছেন মহিলারা এবং তা দু’ সম্প্রদায়েরই। এবং তাঁদের বেশিরভাগই অত্যন্ত গরিব এবং পিছিয়ে পড়া মহিলারা।
একটি উনত্রিশের মেয়ের এই সহজতা আসে কেমন করে, নির্ভীক বলে যেতে পারেন যে তাঁর দেশের সরকার আসলে দেশের মানুষের শিক্ষা শিকেয় তুলেছে। সামান্য ভয়টুকুও তো কণ্ঠে প্রকাশ পায় না! অনুপর্ণা কি তবে সত্যি সত্যি, সত্যি?
একুশ শতকে, পুঁজি বিনে পুজো অথবা পিণ্ডদান? ব্যাকডেটেড!
এই চাপ থেকে মুক্তির উপায় কী? অনেকে বলবেন সৌন্দর্যের মানদণ্ডের বাইরে নিজেকে খোঁজা। তা একটা শুরু বটে। তবে একাকী কোনও একটি পথে এই মুক্তি সম্ভব নয়।
জঙ্গলমহল, ছোটনাগপুরের জনজাতি অধ্যুষিত গ্রামে এই পরব পালিত হয়ে আসছে সুদূরের কাল থেকে। এই সেই করম পরব যেখানে নারীরাই একচ্ছত্র, প্রাণশক্তি আবহনের নৈণায়িক ঋত্বিক। মূল পরবের দিন– যে দিন চারাকে (শস্য) পুজো করা হয়, তার সাত দিন আগে শুরু হয় পার্বণ-রীতি।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved