Robbar

সাম্প্রতিকী

বিভেদের বিরিয়ানি

রাজনৈতিক মেরুকরণের ছায়া এবার খাদ্যসংস্কৃতিতেও। বিরিয়ানি ও অন্যান্য খাদ্যপণ্যের লেনদেন ধর্মের ছাতায় আনার আহ্বান রাজ্যের এক বিরোধী নেতার মুখে। ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় এ আদতে ধর্মীয়-বিভাজনের ঘনানো অন্ধকার।

→

আরাবল্লিতে আজ প্রাচীন গাছগুলি জিতেছে তাঁর জন্যই

গোদাবর্মন থিরুমুলপাদ আরাবল্লির পাহাড়-জমি-বন-ইকোলজি রক্ষার লড়াইয়ে আমাদের সঙ্গে থাকলেন।

→

অ্যাঞ্জেল চাকমার হত্যা আসলে বৈচিত্রময় ভারতেরই রক্তক্ষরণ

মারমুখী যুবাদের সামনে তার পরিচয়, ভাষা বা আইডেন্টিটি ইন্ডিয়ান– এমন জবাবদিহি অনিবার্য হয়ে পড়েছিল অ্যাঞ্জেল চাকমার জন্য। কথা হল, এই চারটে শব্দ: ‘আমি ভারতীয়, চিনা নই’, সীমান্তবর্তী এলাকার এক মৃতপ্রায় যুককের মুখ থেকে শুনে কী ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজনীতির আঁচ আমরা পাই?

→

আরাবল্লি না থাকলে আমূল বদলে যাবে ভারতের জলবায়ু

একবার ভেবে দেখা যাক আরবল্লি নেই। গরম বালি ক্রমশ গলা টিপে ধরেছে পশ্চিমের ছোট ছোট নদীগুলোর; ক্রমে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের পশ্চিম প্রান্ত বালিতে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে; গঙ্গার গতিপথ হারিয়ে যাচ্ছে গরম বালিতে; ভারতের জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে। সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছে– তাই না?

→

জলের আরেক নাম মরণ

নীতি আয়োগের ২০১৮ সালের রিপোর্ট বলছে, অনিরাপদ পানীয় জলের কারণে এ দেশে প্রতি বছর গড়ে দুই লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়। ডায়রিয়া, কলেরা ও টাইফয়েডের মতো জলবাহিত রোগই এর প্রধান কারণ। প্রতিবেদনটির কম্পোজিট ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট ইনডেক্স-এ বলা হয়েছে যে, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ জলের উৎসই কোনও না কোনওভাবে দূষিত, ৭৫ শতাংশ পরিবারেই নিরাপদ পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই এবং প্রায় ৬০ কোটি মানুষ তীব্র জল সংকটে ভুগছেন।

→

উপমহাদেশে থেকেও খালেদা কখনও প্রতিহিংসার রাজনীতি করেননি

দীর্ঘ সংগ্রামমুখর জীবনযাপনের পর অবশেষে ৩০ ডিসেম্বর সকাল ছ’টায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেন বাংলাদেশের ‘আপসহীন নেত্রী’, প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। প্রতিকুল পরিস্থিতিতেও তিনি দেশ ছাড়েননি, দেশের মাটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে চেয়েছিলেন। করলেনও। এ তাঁর রাজনৈতিক জীবনে অনেক বড় অর্জন।

→

জ্যোতির্ময় দত্ত আমাদের ‘কোমল ক্যাকটাস’

জ্যোতি জুতো পরে না। জ্যোতি নিরামিষ খায়। জ্যোতি খালি পায়ে ঘুরে বেড়ায় সারা কলকাতা। আমি কখনও গরম পিচে পা রাখি। কখনও পরম গোবরে। দুটোই সমান সহনীয়। কিংবা সুন্দর। বলল একদিন জ্যোতি। এই জুতোহীন উদ্বেল প্রেমিককে আনন্দবাজারের বরুণ সেনগুপ্ত ‘খালিপদ’ নামেও ছড়িয়ে দিয়েছেন বাঙালির ঘরে ঘরে।

→

পাকিস্তানের সংস্কৃত-চর্চা প্রমাণ করে দেয় ভাষা আসলে ধর্ম-নিরপেক্ষ

আদান-প্রদান যে নতুন কিছু তা না। আরাকান রাজসভার কবিরা যে বাংলায় যে কাব্য লিখেছিলেন, সেগুলোর উৎস একটু খুঁজলেই দেখা যায়– অবিভক্ত ভারতবর্ষের কবিদের কবিতার সঙ্গে তার স্পষ্ট যোগসূত্র বর্তমান। এঁদের মধ্যে মুসলমানরাও ছিলেন, তাঁদের কাব্যে কৃষ্ণরাধাও ছিল, হোলিও ছিল।

→

বাংলাদেশের উচ্ছৃঙ্খল অবস্থা দুই বাংলার সংখ্যালঘুকে বিপন্ন করে তুলছে

যারা আজকের বাংলাদেশকে এই হিংসা আর মূঢ়তার অন্ধকারে নিয়ে যেতে চাইছে, তারা ‘মৌলবাদী’ বা সাম্প্রদায়িক শুধু নয়, তারা জেহাদি এবং কোনও ধর্মের জেহাদিদের দ্বারাই কোনও সদর্থক কাজ হতে পারে না।

→

ক্ষতবিক্ষত ‘ছায়ানট’-এর সঞ্জীবনী হতে পারে রবীন্দ্রনাথের গানই

শান্তিনিকেতনে বাংলাদেশি ছাত্র-ছাত্রীদের নিরন্তর আসা-যাওয়া পাঠগ্রহণ দুই বাংলার মধ্যে সেতু রচনা করে আসছে নিরন্তর। ছায়ানটের সঙ্গে প্রতিনিয়তই সেই বিনিময় ও বন্ধন অটুট রয়েছে। কারণ, আমরা রবীন্দ্রনাথকে আমাদের ভাষা সাহিত্য সংস্কৃতি ও মানবতার বটবৃক্ষ রূপে জানি।

→