সম্প্রতি দিল্লির চিত্তরঞ্জন পার্কে মাছের ব্যবসায়ীদের ব্যবসা বন্ধ করতে প্রায় ‘হুমকি’ দিয়েছেন একদল হিন্দুত্ববাদী। কেন? কারণ পাশেই রয়েছে একটি মন্দির। এবং সেই মন্দিরে আসা লোকজনের নাকি এই মাছ বিক্রির কারণে ভাবাবেগে আঘাত লাগছে।
জানুয়ারি ২০২৪ সাল থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সাল পর্যন্ত টিন্ডারে একটি প্রশ্ন লাফিয়ে বেড়েছে। ‘আপনি কি পোষ্য ভালোবাসেন?' গ্রাফ বলছে প্রায় ৮% মানুষ এই প্রশ্নটি একে অপরকে করেছেন।
ভাইরাল আসলে একটি প্যারামিটারবিহীন ফেনোমেনা– ভালোবাসা, অপেক্ষা, জিরাফ, ধর্ম, বিরিয়ানি একেবারে ঘেঁটে ঘ!
দেশের একটি শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয় হিসাবে এরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করা যেত যে একইসঙ্গে কীভাবে উন্নয়ন এবং প্রকৃতিকে বাঁচিয়ে রাখা যায়। হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সেদিকে কোনওদিনই নজর দেয়নি। কিন্তু পরিকল্পনা ও পরিবেশগত দায়িত্ববোধের অভাব বারবার দেখা গেছে।
গ্যালারি চারুবাসনায় সদ্য শেষ হল শিল্পী অশোক মুখোপাধ্যায়ের (১৯১৩-১৯৬৯) চিত্র প্রদর্শনী ‘রিদম অফ লাইফ’। বিষয়গতভাবে কিছু জীবজন্তু, ল্যান্ডস্কেপ, রেখাচিত্র, এবং অবশ্যই মানুষ। মানুষের মনের অভিজ্ঞান, মুখ ও মনের মধ্যে ভাবনার যে দোলাচল– তা অদ্ভুত ভাবে ধরা দিয়েছে রেখায়, রঙের বন্ধনে, কিংবা আলোছায়ার খেলায়।
যেদিন সত্যি সত্যি এআই শিল্পী হয়ে উঠবে, সেদিন কি মানুষেরা পকেটের পয়সা খরচ করে যন্ত্রের বানানো সেই শিল্প দেখতে যাবে? গেলে কত দিন যাবে? আর যদি না-যায় তাহলে ব্যবসা জমবে কি করে?
এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে কোথাও কাজ করছিল 'পথ' শব্দটা। বিভূতিভূষণেরপথের পাঁচালী উপন্যাস ছিল জীবনের কঠিন লড়াইয়ের মধ্যেও হরিহরের স্বপ্ন দেখা, স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার গল্প। নায়ক-এ অরিন্দম তার জীবনের যে গল্প অদিতিকে বলতে বলতে যাবে, তা-ও তো জীবনের সঙ্গে যুঝতে যুঝতে আর এক স্বপ্ন দেখার গল্প, যেন বা আর এক পথের পাঁচালীই।
হরিমাধব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে আমার প্রথম আলাপ বালুরঘাটে। ত্রিতীর্থ নাট্যদলের সূত্রে। খুব অল্প সময়ে অন্তরঙ্গ হয়ে ওঠার লক্ষণ ছিল মানুষটির।
এই ধার্মিক সুন্নি সম্রাট জীবনে কোনও দিন বিলাসবহুল রাজসজ্জায় শয়ন করেননি। সম্রাট ঔরঙ্গজেবের জীবন কেটেছে ভূমিসজ্জায় শয়ন করে। সমস্ত জীবন সুফি ও ফকিরদের সঙ্গ করেছেন। আর্যাবর্ত নয়, ফুল্ল-কুসুমিত বঙ্গভূমি নয়, তিনি ছিলেন দিল্লির এক সম্রাট, যাঁর প্রিয় ভূমি ছিল দাক্ষিণাত্য।
ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী যতই অস্পৃশ্যতা ‘নিষিদ্ধ’ হোক, সংবিধান গৃহীত হওয়ার ৭৫ বছর পরেও এই বাংলায় অস্পৃশ্যতার মতো বিষয় উপস্থিত। কেন?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved