যে মিলিত হত্যার উল্লাস আমাদের ভুলিয়ে দিচ্ছে সব খুনের রংই লাল, ভুলিয়ে দিচ্ছে দুঃস্বপ্নে ফিরে ফিরে আসা শিশুটির চিৎকার, তার শেষ কোথায়? যে যৌথ নির্জ্ঞান আমাদের দাঁড়াতে শেখাত প্রাণের পক্ষে, কুৎসিত প্ররোচনায় ভরা জিঘাংসার প্রশিক্ষণ কি সেই শেষ বোধটুকুও কেড়ে নিয়েছে ইতিমধ্যেই?
ব্রিটেনের এই শিক্ষা কি ভারত গ্রহণ করবে? নাকি নারীদের শিক্ষা, ধর্মীয় অধিকার থেকে বঞ্চিত করা, পুরুষের অধীন ভাবা মনুবাদী সংস্কৃতিই মেনে চলবে রাষ্ট্র?
বাংলাদেশ গোটা উপমহাদেশে যে লড়াইয়ের মন তৈরি করে দিয়েছে, তাই-ই এবার পশ্চিমবঙ্গে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
এলাকা দখল করে রাজত্ব করতে চায় আকাশমণি, এ বড় বিপদের কথা। জীববৈচিত্রের নিরিখে এ এক অশনি সংকেত।
বামনভাঁড় শুধু ব্যক্তিএকক নয়, তার ভেতর বেঁচে আছে কয়েক শতাব্দীর অপমান।
একটা নিরস্ত্র মানুষকে গুলি করে মারার মধ্যে যে বীভৎসতা, তাকে যে ভাষায় আক্রমণ করে প্রতিবাদে নামতে হবে, গ্রাফিতির মাধ্যমে সে ভাষাতেই প্রতিবাদ হয়েছে।
সমস্যাটা স্লোগানের নয়, তাকে সামনে রেখে মেকি দেশপ্রেমের বাহ্যিক প্রদর্শন এবং জোরজবরদস্তিতে।
ভাস্কর্য সুন্দরের প্রতীক, শিল্পকলার একটি শক্তিশালী মাধ্যম। সেটা ভাঙা দরকার হয় কেন?
এতকিছুর পরেও আঙুল ওঠে সেই মেয়েদের দিকেই। প্রশ্ন ওঠে, রাতবিরেতে একা মেয়ে কেন বিশ্রাম নিতে যাবে নিভৃতকক্ষে?
একটা গানের মধ্য দিয়েই প্রকাশিত হয় সে আন্দোলনের চেতনা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved