Robbar

সাম্প্রতিকী

শারীরিক প্রহারই একমাত্র শাস্তি, এটা মাথায় গেঁথে বসলে শান্ত মানুষও খেপে ওঠে

কিন্তু কেন আমরা এত হিংস্র হয়ে উঠলাম? কেন তাকে পিটিয়ে মারার আগে খেতে দিলাম? কী জানি, একেক সময় মনে হয়, পথের ধারে যে মাংসর দোকানের সামনে দিয়ে আমরা যাতায়াত করি আর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকি, সেখানেও কাটার আগে পাঁঠাকে কাঁঠাল পাতা খেতে দেওয়া হয়।

→

অন্ধ যে গণ মারে আর শুধু মরে

সমষ্টির সদর্থক ভূমিকা উদযাপনের কালে যেন আমরা সমষ্টির এই কদর্য মুখও না ভুলি।

→

‘পথভোলা’ ট্রেনে নস্ট্যালজিয়া নেই, নরকযন্ত্রণা আছে

বিলাসবহুল, তীব্র গতির ট্রেন চালানোর চেষ্টা হচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন রেললাইনে! সোজা কথায় ভারতীয় রেলে এখন ‘গরিব হটাও’ প্রকল্প চলছে।

→

মরা বাঁধ দিয়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ হাস্যকর

দামোদর ‘বাংলার দুঃখের নদী’। আমরা কি আদৌ কোনও দিন ভেবে দেখেছি, দামোদর সত্যি দুঃখের নদী কি না?

→

এ চিঠি আন্না সেবাস্টিয়ান পেরায়িলের মা লেখেননি

তবু কি এসে যায় তাতে? তোমার, আমার আর বিশ্বসংসারের সকল সন্তানের কোনও এক মা-এর লেখা এ চিঠি, আসলে তো আমাদের বাঁচিয়ে রাখার; সুস্থ থাকার, শান্তি পাওয়ার আর সময় করে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন মুখে তোলার রিমাইন্ডার।

→

একা, সাধারণ জেগে উঠলে অসাধারণ

যে বিষয়গুলি প্রত্যক্ষত শ্রেণিগতভাবে কিষান-মজদুরদের স্পর্শ করে না, এমন অনেক বিষয় যা এই চাকরি করা ভদ্র সাধারণকে প্রত্যক্ষত স্পর্শ করে, তার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকছেন লক্ষ্মণের সাধারণ মানুষ– একা, নিরুপায় কিন্তু সচেতন। খবরের কাগজের পাতায় সহ-সাধারণদের সচেতন করে দেওয়াই তাঁর কাজ।

→

পাথর নাকি প্রাণ, মানুষের বিচারসভায় পরীক্ষা ভগবানেরও

বাস্তব জীবনে যাঁদের আমরা ‘দেবতা’র মর্যাদা দিই, শ্রদ্ধার আসনে বসাই, তাঁদেরও ভুল হয়। সেই শ্রদ্ধেয় মানুষদেরও কোনও না কোনও সময় বিচারের সামনে দাঁড়াতে হয়।

→

দশ দিন ব্যাগহীন পড়ুয়ারা, কিন্তু অভিভাবকদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার ভার কি লাঘব হবে?

ব্যাগহীন দশদিনের এই পরিকল্পনায় ছাত্রছাত্রীদের আদৌ কোনও ভার লাঘব হবে, নাকি তা একটি প্রতীকীব্যবস্থা হিসেবেই থেকে যাবে?

→

কী হবে যদি এই সসাগরা পৃথিবী পুরুষ-শূন্য হয়ে যায়?

মেলবোর্নের জিন-বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জেনিফার গ্রিভস জানিয়েছেন, অশক্ত, দুর্বল গঠনের কারণেই ওয়াই ক্রোমোজোম ক্রমশ নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারছে না। ফলে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে পুরুষ নামক প্রজাতি।

→

একদিকে বই পোড়ানোর হুকুম, অন্যদিকে নিভৃত গ্রামে খুলে যায় বইয়ের ঘর

‘বর্ত্তমান ভারত’-এ বিবেকানন্দ রাম, অশোক ও আকবর তিনজনকে ‘মহামতি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।

→