

সমষ্টির সদর্থক ভূমিকা উদযাপনের কালে যেন আমরা সমষ্টির এই কদর্য মুখও না ভুলি।
বিলাসবহুল, তীব্র গতির ট্রেন চালানোর চেষ্টা হচ্ছে শতাব্দী প্রাচীন রেললাইনে! সোজা কথায় ভারতীয় রেলে এখন ‘গরিব হটাও’ প্রকল্প চলছে।
দামোদর ‘বাংলার দুঃখের নদী’। আমরা কি আদৌ কোনও দিন ভেবে দেখেছি, দামোদর সত্যি দুঃখের নদী কি না?
তবু কি এসে যায় তাতে? তোমার, আমার আর বিশ্বসংসারের সকল সন্তানের কোনও এক মা-এর লেখা এ চিঠি, আসলে তো আমাদের বাঁচিয়ে রাখার; সুস্থ থাকার, শান্তি পাওয়ার আর সময় করে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন মুখে তোলার রিমাইন্ডার।
যে বিষয়গুলি প্রত্যক্ষত শ্রেণিগতভাবে কিষান-মজদুরদের স্পর্শ করে না, এমন অনেক বিষয় যা এই চাকরি করা ভদ্র সাধারণকে প্রত্যক্ষত স্পর্শ করে, তার মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকছেন লক্ষ্মণের সাধারণ মানুষ– একা, নিরুপায় কিন্তু সচেতন। খবরের কাগজের পাতায় সহ-সাধারণদের সচেতন করে দেওয়াই তাঁর কাজ।
বাস্তব জীবনে যাঁদের আমরা ‘দেবতা’র মর্যাদা দিই, শ্রদ্ধার আসনে বসাই, তাঁদেরও ভুল হয়। সেই শ্রদ্ধেয় মানুষদেরও কোনও না কোনও সময় বিচারের সামনে দাঁড়াতে হয়।
ব্যাগহীন দশদিনের এই পরিকল্পনায় ছাত্রছাত্রীদের আদৌ কোনও ভার লাঘব হবে, নাকি তা একটি প্রতীকীব্যবস্থা হিসেবেই থেকে যাবে?
মেলবোর্নের জিন-বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক জেনিফার গ্রিভস জানিয়েছেন, অশক্ত, দুর্বল গঠনের কারণেই ওয়াই ক্রোমোজোম ক্রমশ নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে পারছে না। ফলে পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে পুরুষ নামক প্রজাতি।
‘বর্ত্তমান ভারত’-এ বিবেকানন্দ রাম, অশোক ও আকবর তিনজনকে ‘মহামতি’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।
একেই বলে ‘পাওয়ার’। আমার গোপন উল্লাসের এই খেলায় রাজা আমি, উজির আমি, মন্ত্রী, সান্ত্রী, পেয়াদা সকলই আমি। আপুন-ইচ ভগওয়ান হ্যায়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved