Robbar

সাম্প্রতিকী

পাড়া স্টুডিওর ক্ষণিকের নবজাগরণ

হইহই কাণ্ড। রইরই ব্যাপার। এই যে অনেককাল ধরে, পাড়ার নানা প্রকার ‘কল্পনা’, ‘ছবিঘর’, ‘পিয়ালি স্টুডিও’ গোছের নানা স্টুডিও ছিল ফোটো তোলার, তারা ঝিমিয়ে পড়েছিল। হঠাৎ জেগে উঠেছে। গত দশ বছরে এহেন কাজের চাপে পড়েছে কি না, সন্দেহ! আজ ছবি তুললে, ডেলিভারি নাকি সাত দিন বাদে! বোঝো কাণ্ড! পাড়ার স্টুডিওর এই ক্ষণিকের নবজাগরণে পুরনো-নতুন দিনের স্মৃতি মিলেমিশে আজকের ককটেল।

→

আগ্রাসন আর হুমকির বিরুদ্ধে নেতৃত্ব দেওয়া মিশেল, জোহরানদের আমরা পাব কবে?

ভারতে একজন প্রার্থী, যিনি একটা জায়গার মানুষ, পরিবেশ, সমস্যার সম্বন্ধে বিন্দুমাত্র অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও অনায়াসে নির্বাচনের টিকিট পেয়ে যান। তাই মিশেল, জোহরানের মতো মানুষগুলোকে যখন দেখি, কীভাবে চেনেন নিজের শহর, নির্বাচনী ক্ষেত্র, হাতের পাতার মতো, শ্রদ্ধা-মেশানো বিস্ময় কাটে না।

→

এসআইআর বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে খোলা চিঠি

বাস্তবে, ভোটার তালিকা ধরে নেয় একটি স্থায়ী ও প্রমাণযোগ্য বাসস্থান। কিন্তু যাঁদের জীবনই সংজ্ঞায়িত হয় স্থান থেকে স্থানান্তরে সরে সরে যাওয়া দিয়ে– যাঁরা উড়ালপুলের নিচে, হাসপাতালের ওয়ার্ডে, বা অস্থায়ী আশ্রয়ে রাত কাটান– তাঁদের কী হবে? এই মানুষদের এরকম মুছে যাওয়া নেহাতই আকস্মিক নয়, কাঠামোগত একটি সমস্যা বলেই মনে হচ্ছে।

→

ইতিহাস জানানোর দায় কেন অঙ্ক বই নেবে?

অঙ্ক বইতে এরকম ইতিহাসের প্রবেশ হবে কেন? অঙ্ক তো একটা নৈর্ব্যক্তিক বিষয়।  দু’য়ে দু’য়ে চার, আপনি করলেও হবে, আমি করলেও হবে কিন্তু ইতিহাসের ক্ষেত্রে তো ব্যক্তিগত দৃষ্টিভঙ্গি খুব গুরুত্বপূর্ণ। ইতিহাস তো আর শুধু কী ঘটেছিল, সেকথা বলে না। সেটা বলার কাজ তো কালপঞ্জির।

→

গ্রামের স্বাভাবিকতা শহরের বিস্ময় হয়ে উঠল?

সুন্দরবনের দুই তরুণী সামাজিক বিয়েতে আবদ্ধ হলেন। বিয়ে দিলেন গ্রামের পরিবার ও ক্লাবের ছেলেরা। সপাট একটা থাপ্পড় এসে পড়ল এলিট, তত্ত্বপ্রিয়, অ্যাকটিভিজমকেন্দ্রিক, কাগুজে সচেতনতার মুখে। আমরা আদতে যাদের ‘শিক্ষিত’ করার স্বঘোষিত দায়িত্ব পেয়ে জীবন বর্তে দিয়েছি, তারাই আমাদের বিচারপ্রবণতার সামনে একটা সহজ সমাধান নিয়ে বেরিয়ে গেল।

→

নাস্তিকের মৃত্যুচিন্তা ছড়িয়ে আছে রুশদির ইলেভেনথ আওয়ারে

সাকুল্যে পাঁচটা গল্প। ‘ইন দ্য সাউথ’ আর ‘দি ওল্ড ম্যান ইন দ্য পিয়াৎজা’ তুলনায় ছোট। ‘লেট’ আর ‘ওকলাহোমা’ বেশ বড়। সবচেয়ে বড় গল্প/উপন্যাসিকা– ‘দ্য মিউজিশিয়ান অফ কাহানি’। প্রতিটা গল্পে কোনও না কোনও ভাবে মৃত্যুর গায়ের গন্ধ।

→

একটি বাসযোগ্য শহরের স্বপ্নই ব্যক্তিকে ছাপিয়ে সমষ্টিগত প্রত্যাশায় মিশেছে

১১,৩০০ জন ডিএসএ সদস্য নিউ ইয়র্কে জোহরানের পক্ষে প্রচার করেছেন। কিন্তু মোট স্বেচ্ছাসেবীর সংখ্যা ছিল এর ৯ গুণেরও বেশি। অর্থাৎ ডিএসএ-র বামপন্থী রাজনীতি আর কোনও ‘ফ্রিঞ্জ এলিমেন্ট’ নয়, ধীরে ধীরে মেইনস্ট্রিমে জায়গা করে নিচ্ছে।

→

যাঁদের রক্ত-ঘামের ফসল নিউ ইয়র্ক, তাঁরাই জিতিয়েছে জোহরান মামদানিকে

সমস্ত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে প্রান্তিক সমাজের একজন মানুষ যখন নিজের রাজনীতির সঙ্গে কোনওরকম আপোস না করে, এত বড় একটা জয় হাসিল করে নেয়, তখন সবার মনেই একঝলক আশা জেগে ওঠে এই নৈরাশ্যের হতাশার যুগে। মনে পড়ে যায় সেই চিরন্তন স্লোগান, ‘Another world is possible’।

→

এই বাংলার কথা ভেবেই ‘আমার সোনার বাংলা’ গাইব, গাইবই!

আমি পশ্চিমবঙ্গের লোক যখন এই গান গাইব তখন কি বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গাইব? না। আমি আমার বাংলাকে নিয়েই গাইব। হ্যাঁ, আমি যদি বাংলাদেশে যাই এবং এই গানটি শুরু হয় তাহলে অবশ্যই আমি উঠে দাঁড়াব।

→

রিচার সাফল্যে বাঙালি অভিভাবকরা কি আরেকটু সাহস পাবেন?

তথাকথিত অতিশিক্ষিত যুক্তিবাদী অভিভাবকদের থেকে কয়েক ধাপ উঁচুতে উঠে গিয়েছেন রিচার বাবা-মা। এমন বহু পরিবার দেখেছি যেখানে বাইরের লোক নয়, তারাই মেয়েদের পছন্দের কাজটি অঙ্কুরেই বিনাশ করে দেয়।

→