
‘বোকা’ শব্দের ছদ্মবেশে এমন সব মানবিক অনুভূতি থেকে যায়, যা জ্ঞান বা যুক্তি দিয়ে ধরা যায় না। বুদ্ধি দিয়ে তাদের না-যায় বোঝা, না-করা যায় ব্যাখ্যা। যেমন ধরুন, সন্ধের আধো অন্ধকারে একটি পার্কে হাই-হিল পরিহিতা এক নারী কোনওমতে সামলাচ্ছেন তাঁর দীর্ঘ পোশাক, এমন সময়ে হাওয়ায় সেই পোশাক সরে গিয়ে উন্মুক্ত হল তাঁর জ্বলজ্বলে পায়ের মোজা এবং মুহূর্তেই তা অন্তর্হিত হল। যে যুবকের চোখে এই দৃশ্য রয়ে যাবে চিরকাল, তাকে ‘বোকামি’ ছাড়া আর কীই বা বলতে পারেন পল ভের্লেন!
প্রচ্ছদ-ঋণ: অমর চিত্রকথা
‘বোকামি’ শব্দটার গোড়াতেই আছে, ‘বোকা আমি’। এই বোকা আমিকে স্বীকার করে নিয়েই যদি ‘বোকামি’ নিয়ে দু’-চার কথা ভাবতে বসি, তাহলে সবার আগে যে স্মৃতিটা ধরা দেয়, সেটা অবশ্যই কবিতা পড়ার। যখনই নাওয়া-খাওয়া ভুলে হাতে তুলে নিয়েছি কবিতার বই, তখনই শুনতে হয়েছে বিষয়ী লোকজনের অযাচিত মন্তব্য– ‘এইসব কবিতা পড়ে দিন কাটানোর বোকামিটা ছেড়ে একটু কাজের কথা ভাবো’– এই ছিল তাঁদের মোদ্দা চেতাবনি। কী আশ্চর্য, মানুষ যে ভাষায় কথা বলে, সে ভাষায় কি কবিতা লেখে না? নইলে, কবিতার ভাষা আর বিষয়ী মানুষের ভাষা এত যোজন দূরত্বে বাস করেই বা আসছে কীভাবে? এ নিয়ে ভাবতে বসে মনে হল, কবিতায় বোকামি আর রোজের ভাষায় বোকামি, এ দুই ভাগে যদি আমার বোকা চোখকে একটু তল্লাশি করতে পাঠানো যায়, তাহলে হাতে কি শুধুই পেনসিল?
কবিতা আর বোকামি
প্রায় ৭৫ বছর আগে পল তাবোরি হয়তো আমার জন্যই এই সতর্কীকরণ বাক্যটি লিখে গিয়েছিলেন– বোকামি নিয়ে কোনও কথা বলতে যাওয়া মানে আসলে আরও বড় বোকামির সমুদ্রে ডুব দেওয়া। হাঙ্গেরির লেখক, সাংবাদিক এবং মনোবিজ্ঞানের গবেষক এই পল তাবোরি-র (১৯৫১) এমনটাই মনে হয়েছিল ‘দ্য ন্যাচরাল হিস্ট্রি অফ স্টুপিডিটি’ বইটি লেখার সময়। প্রায় একই কথা অন্য প্রসঙ্গে এবং অন্য সুরে বলেছিলেন কবি জন ডান। তাঁর ‘দ্য ট্রিপল ফুল’ কবিতার শুরু হয় এইভাবে, ‘I am two fools, I know,/ For loving, and for saying so/ In whining poetry;’– এক তো প্রেমের জন্য, আর তা দ্বিগুণ হল সেই প্রেমের কথা নিয়ে ঘ্যানঘ্যানে কবিতা লেখায় আর সেই কবিতাই যখন তিনি ভাগ করে নিলেন পাঠকের সঙ্গে তখন যেন দ্বিগুণিত বোকামি হয়ে গেল তিনগুণ।
কিন্তু বোকা কাকে বলে, কাকেই বা বলে বোকামি? অধিকাংশ মানুষই বোকা বলে কিনা জানি না, রজেট-এর তৈরি ‘থিসরাস’-এর পাতা উলটে যদি খেয়াল করেন, দেখবেন বোকা বা বোকামির কথা বলতে গিয়ে দীর্ঘ ছয়টি কলাম ব্যয় করা হয়েছে, তবু যেন স্পষ্ট হয় না বোকাদের স্বরূপ। বাধ্য হয়ে বোকামিকে ইলেক্ট্রিসিটির সঙ্গে তুলনা করেছেন অনেকে। ইলেকট্রিককে যেমন এমনিতে বোঝা যায় না, একমাত্র তার ফলাফল থেকেই তাকে চেনা যায়, তেমনি বোকাকে চেনা যায় হরেক বোকামির মাধ্যমেই। একটা শর্টকাট করার চেষ্টা করেছিলেন ফ্রয়েডের ছাত্র আলেকজান্ডার ফেলডমান, তাঁর মতে জ্ঞান বা প্রজ্ঞা বা ‘উইসডম’-এর উলটো পিঠ হল বোকামি। কিন্তু এখানেও সমস্যা থেকে যায়। আবার জ্ঞান আর প্রজ্ঞাও এক নয়। একজন বোকা মানুষেরও জ্ঞান থাকতে পারে, তিনি হয়তো ইতিহাসের সাল-তারিখ বা আমদানি-রপ্তানির সমস্ত পরিসংখ্যান সহজেই দিতে পারেন; কিন্তু এই নানাবিধ জ্ঞান, প্রজ্ঞার মুখোশ পরিয়ে রাখলেও বোকামি থেকেই যায়। অন্যদিকে অনেক বিষয়ের জ্ঞান না থাকলেও, এমনকী পড়াশোনা না করলেও প্রজ্ঞাবান হওয়া যায়। জীবনের অভিজ্ঞতা তাঁকে প্রজ্ঞাবান করে তোলে– পরিযায়ী পাখি যে প্রজ্ঞা দিয়ে শীতের জায়গা ছেড়ে গরমের খোঁজে পথ খুঁজে নেয়, যেভাবে শিশু বুঝতে পারে ঠিক কতটা দুধ দরকার তার শরীরে, যেভাবে আদিম মানুষ প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিত।

তবে সবচেয়ে বোকামির কাজ যেটা, সেই কবিতার কাছেই বরং ফেরা যাক। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা ‘গীতাঞ্জলি’-র একটি কবিতা হল:
আর আমায় আমি নিজের শিরে
বইব না
আর নিজের দ্বারে কাঙাল হয়ে
রইব না।
এই বোঝা তোমার পায়ে ফেলে
বেড়িয়ে পড়ব অবহেলে–
কোনো খবর রাখব না ওর
কোনো কথাই কইব না।
কিন্তু এর ইংরেজি তর্জমা করতে গিয়ে, প্রথমেই সম্বোধনের ভঙ্গিতে তিনি লিখলেন ‘fool’ শব্দটি। পালটে গেল কবিতার কথকও। বাংলা কবিতায় যে বলছে– সে আর নিজের মাথায় নিজেকে বইবে না, বা নিজের দরজায় কাঙাল হয়ে থাকবে না, ইংরেজি তর্জমায় তাকেই সরাসরি কবি ‘বোকা’ বলে সম্বোধন করছেন; এবং খানিকটা ভর্ৎসনার সুরে বলছেন ‘ওরে বোকা, নিজের কাঁধে নিজেকে বইবার চেষ্টা করছ!’ এই সুরের বদলই যেন স্পষ্ট করে তুলল বোকামিকে। কবি যেন প্রকারান্তরে নিজেকেই বোকা বলে অভিহিত করলেন।

এর বহু বছর আগে, ১৪৯৪ সালে, এক দরিদ্র জার্মান সরাইখানার কেয়ারটেকারের ছেলে সেবাস্টিয়ান ব্রান্ট লিখে ফেললেন আশ্চর্য এক স্যাটায়ার ‘শিপ অফ ফুলস’। ন্যারাগোনিয়া অভিমুখে যাত্রা করা এক জাহাজে উঠে পড়েছে একসঙ্গে অনেকজন নানা কিসিমের বোকা। ১১২টি ছোট ছোট কবিতা ভরে উঠেছে এই বোকাদের বর্ণনায়। এদের দলপতি হিসেবে, শ্রেষ্ঠ বোকা হিসেবে, ব্রান্ট স্থান দিয়েছেন নিজেকে, কারণ তাঁর কাছে আছে অপ্রয়োজনীয় ফালতু প্রচুর বই, যেগুলো ‘neither read nor understand’। এই বোকাদের আজও আমরা দেখতে পাই আমাদের চারপাশে, সামান্য বদল হয়েছে হয়তো সময়ের কারণে।

কিন্তু ‘বোকা’ শব্দের ছদ্মবেশে এমন সব মানবিক অনুভূতি থেকে যায়, যা জ্ঞান বা যুক্তি দিয়ে ধরা যায় না। বুদ্ধি দিয়ে তাদের না-যায় বোঝা, না-করা যায় ব্যাখ্যা। যেমন ধরুন, সন্ধের আধো অন্ধকারে একটি পার্কে হাই-হিল পরিহিতা এক নারী কোনওমতে সামলাচ্ছেন তাঁর দীর্ঘ পোশাক, এমন সময়ে হাওয়ায় সেই পোশাক সরে গিয়ে উন্মুক্ত হল তাঁর জ্বলজ্বলে পায়ের মোজা এবং মুহূর্তেই তা অন্তর্হিত হল। যে যুবকের চোখে এই দৃশ্য রয়ে যাবে চিরকাল, তাকে ‘বোকামি’ ছাড়া আর কীই বা বলতে পারেন পল ভের্লেন! এর পরের স্তবকেই আবার বলছেন, “Also, at times a jealous insect’s dart/ Bothered out beauties. Suddenly a white/ Nape flashed beneath the branches, and this sight/ Was a delicate feast for a young fool’s heart.” যুবকের বোকামির সঙ্গে এক বৃদ্ধের বোকামির কথাও রাখতে চাই। ভের্লেন-এর এই কবিতাটি পড়তে পড়তে একেবারে বেহদ্দ বোকার মতোই আমার মনে পড়ল জয় গোস্বামীর কবিতা। বুদ্ধিমান হলে হয়তো এমন হত না। কবিতাটির নাম ‘বোকা’:
তাকে ছেড়ে চলেছ সন্ধ্যায়
চাঁদ ওঠে।
চাঁদ উঠে যায়
গাছের মাথায়
আর কোনও দায়
রইল না তোমার
তোমার এই ছেড়ে যাওয়া
মহোল্লাসে উদ্যাপন করে
ঝোপঝাড়ে ঝিঁঝিপোকা ডাকে চমৎকার
তোমার যাওয়ার পথে একদৃষ্টে তাকিয়ে
কেন যে বোকার মতো চোখ দিয়ে জল পড়ে এখনও
বৃদ্ধ লোকটার।

বোকামির ভাষা
ভাষার জগতেও এই বোকামি নিয়ে আজকাল নতুন একটা পরিভাষা খুব শোনা যাচ্ছে, সেটা হল ‘ফ্লুয়েন্ট ফুল’। একধাক্কায় শুনলে অক্সিমোরনই মনে হবে। যে কি না ভাষায় ‘ফ্লুয়েন্ট’, সে আবার ‘ফুল’ হয় কীভাবে? মজাটা এখানেই। কেউ যখন অন্য কোনও ভাষা বলতে, পড়তে, লিখতে শেখেন, তখন অনেকসময় মাছিমারা কেরানির মতো ভুল করে বসলে, এমনই গোলযোগ হয় বটে। অর্থাৎ, তাঁরা হয়তো ভাষাটা দিব্যি সড়গড় বলতে শিখেছেন, কিন্তু ভাষা তো আর শুধু বুকনি ঝাড়া নয়, ভাষার মধ্যে ঢুকে থাকে এক-একটা আস্ত সংস্কৃতি। যে সংস্কৃতি জড়িয়ে থাকে সেই ভাষাভাষীদের ভাবনায়, দিনযাপনে, অভ্যাসে, অনুশীলনে, রীতি ও প্রবণতায়। এখন সেই সংস্কৃতির মধ্যে মাথা গলাতে গিয়ে যে অর্বাচীন সব ভুল হয় নতুন ভাষাবলিয়েদের, সেই সব বোকামির নিরিখেই, এই নতুন নামকরণ– ‘ফ্লুয়েন্ট ফুল’। এঁরা ভাষা বলতে জানলেও, ভাষার প্রায়োগিক ভার সামলাতে শেখেননি, নতুন ভাষার সামাজিক তাৎপর্য বুঝে, জুৎসই ভাবে তাকে ব্যবহার করতে বেশ হোঁচট খেতে হয় তাঁদের।
একটু উদাহরণ দেওয়া যাক। কিছুদিন আগেই পড়লাম, এক প্রবাসী বাঙালি ফেসবুকে তাঁর আর-এক প্রবাসী বন্ধুর বাবার গল্প লিখেছেন, মার্কিন রেস্তোরাঁয় গিয়ে তিনি লেডিস ফিঙ্গারের চচ্চড়ি চেয়েছিলেন। তাতে ওয়েটার ভয়ানক অবাক হয়ে, রীতিমতো সন্দেহের চোখেই দেখতে শুরু করে তাঁকে। না, ভুলেও ভাববেন না যে, তিনি কালাহারিতে ডাবের জল খোঁজার মতো মূর্খামি করেছিলেন। কারণ, ওই রেস্তোরাঁয় ঢ্যাঁড়সের তরকারি রমরম করে বিক্রি তো হয়ই, পরে আবার ওই ভদ্রলোক আশ মিটিয়ে ওখান থেকে সেসব খেয়েওছেন। তাহলে গোলমালটা হল কোথায়? আসলে, সাহেবি দেশে ঢ্যাঁড়সকে মোটেও ‘লেডিস ফিঙ্গার’ নামে কেউ চেনে না, দিশি সবজি বিদেশেও দিশি মহিমাতেই ধরা দিয়েছে। ফলে প্রথমটায় ইংরেজ ওয়েটার চোখ কপালে তুলে এই বাঙালি ভদ্রলোককে মানুষখেকো ভেবেছে কি না জানি না, তবে পরে যেই বুঝেছে যে তিনি আসলে ‘ওকরা কারি’ চাইছেন, তখন তাঁকে আলবাত ‘ফ্লুয়েন্ট ফুল’-ই ভেবেছে!

বিদেশি ভাষায়, অন্য ভাষায় কথায় কথায় ‘ফ্লুয়েন্ট ফুল’ হয়ে যাওয়া নিয়ে খুচরো হাসাহাসি চলতে পারে, তবে ও নিয়ে পৃথিবী রসাতলে পাঠানোর ভাবনা ভাবতে হয় না নিশ্চিতভাবেই। আমার এক ঘনিষ্ঠ মরাঠি বন্ধু যেমন সদ্য বাংলা শেখার প্রথম দিনগুলোয় যথেচ্ছ হাসির খোরাক জুগিয়েছে আমাদের, বিশেষত একদিন বর্ষার টইটম্বুর পুকুর দেখে গম্ভীর মুখে বলেছিল, ‘কুকুর ভেসে যাবে’! কিন্তু সে যাই হোক, যতক্ষণ না নিজের সংস্কৃতির ঠেকা অন্যের হাতে তুলে দিয়ে বসে থাকছি, ততক্ষণ অন্যরা যদি কিঞ্চিৎ ভুলও বলে, তাতে আমাদের সংস্কৃতির গায়ে আঁচটিও আসার কথা নয়।
কিন্তু মুশকিল হল, আমরা নব্য বাঙালির দল বাংলা ভাষাটাকেই এমন অচেনা করে ফেলছি ক্রমশ যে, আজকাল বহু গ্লোবাল বাঙালির কাছেই নিজের ভাষাটাই বলা চলে ফরেন ল্যাংগুয়েজ। তাঁরা যখন নিজের ভাষায় নিয়মিত ‘ফ্লুয়েন্ট ফুল’ হওয়ার নমুনা রেখে যান, তা নিয়ে কি হাসাহাসি করে বিপদের দিন ভুলে থাকা যায়?
দিনকয়েক আগেই যেমন, সন্ধেবেলায় হন্তদন্ত হয়ে বন্ধুর ফোন। তার ছেলে স্কুল থেকে ফিরে ইস্তক গোঁজ হয়ে বসে, “বাবা তুমি আমার কী নাম রেখেছ যে, ক্লাসটিচার ম্যাম আমায় ‘দইভাত’ বলে ডাকছেন!” সংগীতপ্রিয় বন্ধু বহু শখে ছেলের নাম রেখেছিল ‘ধৈবত’ এবং বলাই বাহুল্য, ক্লাসটিচার ম্যামটি কিন্তু পুরোদস্তুর বাঙালি। দুর্গাপুজোর আশেপাশে দেখবেন চারপাশে দুর্গারূপী নৃত্যগীতের যত ধুম পড়ে যায়, তার মধ্যে কমন একটি নাচের গান থাকেই– ‘আই গিরিনন্দিনী’! ‘অয়ি’ শব্দটা ঠিকমতো উচ্চারণ করতে যে পরিমাণ ক্লেশ খেয়াল করেছি, তাতে মনে হয় এর চাইতে ‘অ্যাই গিরিনন্দিনী’ বলাটাও এদের কাছে সহজ।

তবে ‘ফ্লুয়েন্ট ফুল’-এর অসামান্য নমুনা দেখেছিলাম আমারই এক পুরনো পরিচিতার ফেসবুক কমেন্টে। কোনওভাবেই নাম করা চলবে না, আগুন লেগে যেতে পারে। আমাদের আর-এক কমন ফ্রেন্ডের মাতৃবিয়োগ হয়েছে। বেশ কিছুদিন পর, সেকথা জানিয়ে তিনি পোস্ট দিয়েছেন, সঙ্গে লিখেছেন নিজের স্মৃতি ও বেদনার কথাও। পড়ে মনটা দ্রব হয়েই এসেছিল, হঠাৎ সভয়ে আবিষ্কার করলাম, আমার সেই পরিচিতাটি পোস্টের তলায় কমেন্ট করে গেছেন, ‘কর্মা’! খবর পেয়েছিলাম অবশ্য, অল্টারনেটিভ লিভিং-এর সন্ধানে এই পরিচিতাটি বেশ কিছুদিন বিপাসনার ক্লাসে যাচ্ছেন, কর্মফল নিয়ে জ্ঞানলাভও করছেন। তাই বলে, বন্ধুর মাতৃবিয়োগের সংবাদের নিচে প্রারব্ধ কর্মফলের কথা মনে করিয়ে দেওয়ার মতো বৈরাগ্য এবং নির্বেদ তাঁর এত তাড়াতাড়ি জন্মে গেছে বলে বিশ্বাস করা কি সম্ভব? তার চেয়ে বরং ‘ফ্লুয়েন্ট ফুল’ হিসেবেই ধরে নেওয়া ভালো। অন্তত ধর্মপথে গিয়ে মস্তিষ্কের কলকবজা মাটি হতে বসেছে কি না, সেই সব বিতর্কে জড়িয়ে নিজের বোকামিটুকু না-ই বা প্রমাণ করলাম!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved