

তথ্যভ্রান্তি! দ্বিতীয় সংস্করণেও? অবন-গগন ঠাকুরকে নিয়ে, তাঁদের শিল্পচর্চা প্রসঙ্গে লেখা বই এত ভুলেভরা হবে কেন? প্রশ্নটি সহজ, উত্তর সম্ভবত ততটা সহজ নয়।
ছবির ভাবের সঙ্গে চিত্রশিল্পীর নিজস্ব ভাব মিশে থাকে, সেই ব্যাপারে ক্যামেরার যে সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তা নিয়ে শিল্পীদের কোনও দ্বিমত ছিল না। ভারতশিল্পের অন্যতম রূপকার নন্দলাল বসু রাখঢাক না-করেই বলেছিলেন, ‘ক্যামেরা যন্ত্রমাত্র, হৃদয় ও বুদ্ধি নাই বলে তাতে প্রকৃতিতে যা আছে তার নিখুঁত ডিটেল উঠে মাত্র।’
বিসর্জন এক অবধারিত মুহূর্ত। প্রতিমা নদীতে নামানো হয়, ভেঙে যায়, জলে মিশে যায়। কিন্তু এই ক্ষয়ের ভেতরেই লুকিয়ে থাকে নতুন সৃষ্টির ইঙ্গিত। প্রতিমার মাটি নদীর কাদায় মিশে যায়, সেই মাটি দিয়েই গড়া হয় পরের বছরের প্রতিমা। বিকাশ ভট্টাচার্যের ক্যানভাসে এই দ্বৈততা প্রবল।
খাটের পাশে, টেবিলের ওপর রাখা একটা পোস্টকার্ড– সেখানে কিছুই লেখা নেই। আর একটাতে বড় একটা জিজ্ঞাসা চিহ্ন। সেটা দেখাতে হো হো করে হেসে বললেন– ‘শিব্রাম বাবুর চিঠি, বহুদিন খোঁজ না পেলে এইরকম চিঠি দিতেন।’
বাংলায় হাঁস শিল্প, সাহিত্য থেকে শুরু করে দামি কল, বই প্রকাশনা সংস্থার নাম– সর্বত্রগামী। হাঁসকে প্রতীক করে নিয়ে সবচেয়ে ভালো ব্রান্ড ডাকব্যাক। হাঁসের তৈলাক্ত পাখায় যেমন জল দাঁড়ায় না, রেনকোটও তেমন জল প্রতিরোধ করে। অপূর্ব মিল। সবচেয়ে মজার হল ডাকব্যাকের লোগোতে কোনও হাঁসের ছবি নেই।
মঞ্চসজ্জার শিল্পী হিসেবে কী করছেন অবন ঠাকুর? ‘ডাকঘর’ নাটকে পাড়াগেঁয়ে ঘর তৈরি হচ্ছে বাহারি পটচিত্র দিয়ে। সেটাকে নেপথ্যে রেখে, একটি দাঁড় ঝুলিয়ে দেওয়া হল। অবনীন্দ্রনাথের নিজের লেখাতেই রয়েছে, এই সময়ে ওঁর ছাত্র নন্দলাল বসু বলেছিলেন, ‘পাখি?’। ‘না, পাখি উড়ে গেছে, দাঁড়টি থাক।’
‘শিক্ষক দিবস’-এ ‘মাস্টারমশাই’ নন্দলাল বসুকে নিয়ে লিখছেন সুশোভন অধিকারী।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved