Robbar

Asit Kumar Halder

কলাভবন নিয়ে অভিমানী ছিলেন অবনীন্দ্রনাথ?

অবনীন্দ্রনাথের মনে কি কোনও অভিমান লুকিয়ে ছিল? কীসের সে অভিমান? শিল্পের সমকালীন অবস্থা কি তাঁকে সন্তুষ্ট করতে পারছিল না? এমতাবস্থায় অবনীন্দ্রনাথ আগামী পাঁচ বছর চিত্রপ্রদর্শনী বন্ধ করে দিতে বললেন। আরও কঠিন স্বরে তাঁর প্রিয় শিষ্যদের কাছে গুরুদক্ষিণা চাইলেন তিনি!

→

শিল্পশিক্ষার আতিশয্যহীন ক্লাসরুম

শুরুর কলাভবনের অন্দরমহল। শান্তিনিকেতনে ক্লাসের সহজ অনাড়ম্বর অন্দরসজ্জা ছিল আশ্রমজীবনের সঙ্গে বেশ মানানসই। মার্কা দেওয়া আর্ট কলেজের মতো নয়, একেবারে সাদাসাপ্টা। ব্যবস্থাপনাও খানিক আলাদা।

→

ছবির কবি: অসিতকুমার হালদার

রবীন্দ্রনাথের গান অবলম্বনে একাধিক শিল্পী ছবি এঁকেছেন। অথচ রবিঠাকুর কোনও শিল্পীর ছবি দেখে গান রচনা করেছেন, এমন নজির একেবারে হাতে-গোনা। এঁদের মধ্যে নন্দলাল আর অসিতকুমারের কথাই সবার আগে মনে পড়ে।

→

আসা-যাওয়ার কলাভবন

নন্দলাল চলে যাওয়ায় অসিতকুমার পুনরায় আর্ট কলেজের চাকরি ছেড়ে কলাভবনে যুক্ত হতে চাইলে রবীন্দ্রনাথ খুশি হয়েছেন। নন্দলাল ফিরে গিয়েছিলেন নভেম্বরের শেষে। জানুয়ারির গোড়াতেই রবীন্দ্রনাথের চিঠিতে অসিতকুমারের শান্তিনিকেতনে আসার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

→

নন্দলাল বসু ও কলাভবনের শুরুর দিনগুলি

অবনীন্দ্রনাথের প্রিয় শিষ্য নন্দলাল তখন চিত্রীমহলে বিশেষ পরিচিত। ‘সতীর দেহত্যাগ’, ‘দয়মন্তীর স্বয়ম্বর’, ‘সুজাতা’, ‘অহল্যা উদ্ধার’, ‘জতুগৃহ দাহ’, ‘উমার তপস্যা’ ইত্যাদি অজস্র ছবি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছে। বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠার বেশ কিছু আগে, ১৯১৪ সালে, রবীন্দ্রনাথ নন্দলালকে শান্তিনিকেতনে আমন্ত্রণ করেছিলেন।

→