

সাজ দেখানো, নটের দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়া, আবার ব্যাধের জীবিকা গ্রহণ করা ইত্যাদি একাধিক পেশার কথা জাতকে বলা হয়েছে। সাজ প্রদর্শন বা নটের দলে দণ্ডযুদ্ধ দেখানো বহুরূপী বৃত্তির পূর্বাভাস নিঃসন্দেহে। তা থেকে অনুমান করা যায় বহুরূপী সুপ্রাচীন লোকবৃত্তি ও লোককলা।
‘বহুরূপী’র ‘রাজা অয়দিপাউস’। তিনটে ‘হায়!’ লক্ষ করবেন, নাটক প্রায় শেষদিকটায় পৌঁছে গিয়েছে, তখন ইয়োকাস্তের কণ্ঠে একটা ‘হায়’ শুনি আমরা। রবীন্দ্রগানের তিনটি ‘হায়’-এর সঙ্গে বহুরূপী অভিনীত তিনটি ‘হায়’ যেন একটা যোগসূত্র তৈরি করে। সবটাই দৈবনির্দিষ্ট দুর্ভাগ্যের ফল।
শুধুই দুর্বোধ্য বিষয় নয়, স্বল্প আঁচড়ে গভীর দাগ কাটাই স্রষ্টার কাজ। আবার বিষয়ের মধ্যে নাটকীয় ঘাত-প্রতিঘাত থাকাও বাঞ্ছনীয়। রমাপ্রসাদ বণিক সাধারণ বুদ্ধি-সম্পন্ন মানুষের জন্য নাটক নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন, যেখানে রয়েছে বিষয়ের গভীরতা ও সত্যের অন্বেষণ।
আজ পাড়ার মোড়ে, স্কুলে, কলেজে ২৫ বৈশাখ পালনের ছড়াছড়ি কিন্তু একদম প্রথমে ‘গীতবিতান’কেই কিন্তু এই রীতির অন্যতম পথিকৃতের মর্যাদা দেওয়া যেতে পারে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved