Robbar

Basanta Utsav

রবীন্দ্র-নন্দলালের চিরন্তন বসন্তরূপ

সত্যিকারের ‘বসন্ত’কে একদিন চিনতে পারলাম বোলপুরে গিয়ে ভুবনডাঙার জলা মাঠটা পেরিয়ে। শান্তিনিকেতন ফার্স্ট গেট পেরিয়ে বাঁদিকে গেলে অথবা সোজা সেন্ট্রাল অফিসের মোড় পেরিয়ে যেতে যেতে দু’-দিকে ছাতার মতো শিরীষ গাছের বিশালত্ব দেখে মুগ্ধ হতে হতে এদিক-ওদিক তাকালে পলাশ চোখ টানবেই।

→

দেড় ফুটের ল্যাংচাভোগ ছাড়া রং খেলেন না মদনমোহন

দোগাছিয়ার ল্যাংচা আসলে নোড়াকৃতি রসগোল্লা। কোনও ভাজা মিষ্টি নয়। স্থানীয় নাম রসগোদা। বড় ল্যাংচায় লাগে আড়াই থেকে পৌনে তিন কেজি ছানা। দীর্ঘক্ষণ ছানাকে বিশেষ কৌশলে ঠেসে ময়দার আঠায় জোড় দিয়ে রসে ফোটানো চলে। একটি চার নম্বর কড়াইতে ওই মাপের দু’টি মিষ্টি বানাতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা।

→

নর্তকশ্রেষ্ঠ শ্রীচৈতন্যদেব

ভারতীয় সংগীতে বিশেষত নৃত্যকলায় শ্রীচৈতন্যদেবের অবদান অপরিসীম। কৃষ্ণ-প্রেমিক, দার্শনিক, সাধক-পণ্ডিত হিসেবে শ্রীচৈতন্যদেব বিশ্ববাসীর কাছে যতখানি পরিচিত, নৃত্যশিল্পী হিসেবে সে তুলনায় একেবারেই পরিচিত নন।

→

ভিখারির বীণা

রবিঠাকুর যে-আহ্বান জানিয়েছিলেন, তা দ্বার খোলার আহ্বান। ভিতরের সেই দরজা দিয়ে স্থলে-জলে-বনতলে যে-দোল লেগেছে, তার স্পন্দন এসে লাগবে প্রতিটি হৃদয়ে। ওদিকে ফাল্গুনী পূর্ণিমায় নররূপে যে-দেবশিশু আবির্ভূত হলেন তাঁর সাধন এবং জীবন যাপনের উদারনৈতিকতাকেও বাঙালি ধারণ করতে পারেনি। ভারতবর্ষের প্রথম সার্থক মানবতাবাদী নেতার রহস্যঅন্তর্ধানই তার প্রমাণ।

→

তোমার রঙেরই গৌরবে: যৌনতার চৈতন্যধারা

‘বিহরতি হরিরিহ সরসবসন্তে…’ এইটুকু শুনে কি উঠে দাঁড়ালেন গোরা! মৃদঙ্গ মর্দলায় চারমাত্রার বোল উঠেছে, বেজেছে মঞ্জিরা, ভিতরে ভিতরে মঞ্জরীভাবে বারবার নৃত্যপর হয়ে উঠছেন গোরাচাঁদ। নীলাচলে তিনি কালা নন, রাধা।

→