হারিয়ে গিয়েছে প্রেমের পাহারাদাররা। একটা ভালোবাসা পরিপূর্ণ হতে অনেক মানুষের অবদান থাকে, যাদের পাশে থাকা বৃত্তকে পূর্ণ করে। প্রেমের মতো একটা বৃহৎ বৃত্ত থেকে এখন সেই মানুষগুলো ক্রমশ সরে যাচ্ছে। ছোট হয়ে আসছে বৃত্ত। যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রেম এখন একটা কনটেন্ট হয়ে উঠেছে।
বিয়ের পদ্য বর ও কনে দুই পক্ষেই ছাপাত। বরের বন্ধুরা আবার আলাদা করে বিয়ের পদ্য পাঠ করে বিলি করত বিবাহসভায়। পদ্য পাঠের সাধারণ নিয়ম ছিল– কনেকে সিঁদুর দান করার পরে অথবা বাসরঘরে যাওয়ার পূর্বে নাপিত ঘোষণা করতেন বিয়ের পদ্য পড়ার পালা।
পয়লা বৈশাখের সূর্যের অন্তর্ভেদী লেজার ক্ষীণ কার্ডবোর্ডের বাক্সকে নাস্তানাবুদ করে চলে ক্রমাগত। বাক্সের সবকিছু গরম থাকে শেষ পর্যন্ত। দেখি, ভাবি আর অবাক হই। এই যে পৃথিবী পুড়ছে। আমরাও পুড়ছি। আমাদের ওই বাক্স-সম সহনশীলতার কথা সুকুমার সেন লেখেননি।
দিলজিৎ-এর মতো কোনও পরিযায়ী এসে আবেগের সুতো ধরে টান দিলে আমাদের অন্তরাত্মা জাগে, নচেৎ শীতঘুমে ডুবে যায়। দিলজিৎ সেই ফারাকটাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেলেন। বুঝিয়ে গেলেন বাঙালির আত্মদর্শনের প্রয়োজন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved