দোগাছিয়ার ল্যাংচা আসলে নোড়াকৃতি রসগোল্লা। কোনও ভাজা মিষ্টি নয়। স্থানীয় নাম রসগোদা। বড় ল্যাংচায় লাগে আড়াই থেকে পৌনে তিন কেজি ছানা। দীর্ঘক্ষণ ছানাকে বিশেষ কৌশলে ঠেসে ময়দার আঠায় জোড় দিয়ে রসে ফোটানো চলে। একটি চার নম্বর কড়াইতে ওই মাপের দু’টি মিষ্টি বানাতে সময় লাগে প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা।
ভারতীয় সংগীতে বিশেষত নৃত্যকলায় শ্রীচৈতন্যদেবের অবদান অপরিসীম। কৃষ্ণ-প্রেমিক, দার্শনিক, সাধক-পণ্ডিত হিসেবে শ্রীচৈতন্যদেব বিশ্ববাসীর কাছে যতখানি পরিচিত, নৃত্যশিল্পী হিসেবে সে তুলনায় একেবারেই পরিচিত নন।
‘বিহরতি হরিরিহ সরসবসন্তে…’ এইটুকু শুনে কি উঠে দাঁড়ালেন গোরা! মৃদঙ্গ মর্দলায় চারমাত্রার বোল উঠেছে, বেজেছে মঞ্জিরা, ভিতরে ভিতরে মঞ্জরীভাবে বারবার নৃত্যপর হয়ে উঠছেন গোরাচাঁদ। নীলাচলে তিনি কালা নন, রাধা।
আপাত নিরীহ রঙের পরতেই আছে অন্য রং। ‘বুরা না মানো হোলি হ্যায়’-এর ছদ্মবেশে, রুচির লক্ষ্মণরেখা লঙ্ঘিত করে, তৈরি হয় অবাঞ্ছিত স্পর্শচরিতকথা। রঙের ভিড়ে সাধারণত, পাখির চোখ নারীরাই। উৎসবের আছিলায় ‘দাগ আচ্ছে হ্যায়’– ট্যাগলাইনে এই অসভ্যতার অলিখিত ছাড়পত্র যেন হোলিতে সর্বজনসিদ্ধ।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved