Robbar

Indian poet

বাংলা কবিতায় নারীর যৌন-স্বর

কবিতায় নারীর যৌন-স্বর বিষয়ে যশোধরা রায়চৌধুরী ও রূপক বর্ধন রায়ের কথোপকথন; একটা সময়ের বাংলা কবিতায় মেয়েদের ‘আত্ম-শরীর-অন্বেষণ’ প্রসঙ্গে কথা বলতে বলতে নানা পথ ঘুরে উঠে এল অনালোচিত কবি রমা ঘোষের কবিতা। এল কবিতা সিংহ, শ্বেতা চক্রবর্তী, মিতুল দত্ত প্রমুখ কবিদের প্রসঙ্গও।

→

বাবার সঙ্গে শেষদিন

আজ শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের মৃত্যুদিন। এই শহরের রাখালের মৃত্যুদিন। যে রাখাল, কলকাতায় নয়, প্রয়াত হয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে। স্মৃতিশক্তি-র এই লেখাটি সেই শেষদিনের শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে। বসন্তের সমস্ত রং নিয়ে যিনি চলে গিয়েছিলেন ১৯৯৫ সালের, ২৩ মার্চ। শেষদিনের সে অভিজ্ঞতা, লিখেছেন তাঁর কন্যা।

→

ডাবের মধ্যে সুরা, শক্তিদার ম্যাজিক কিংবা রিয়েলিটি

বিয়ের ১০ বছরের মধ্যে, আদালতের যাচিত নির্দেশে, আমাদের বিয়ের আলো যখন নিভে গেল, তার ক’দিনের মধ্যে শক্তিদার সঙ্গে আমার দেখা। চৌরঙ্গীর কোনও পানঘরে। আমার বিচ্ছেদের ব্যথা ফুটে উঠল শক্তিদার চোখে। ঈশ্বরকে আজও বুঝিনি। কত মানুষকে কত কষ্ট দিচ্ছেন বিশ্ব জুড়ে। অথচ আমার ঠুনকো কষ্টে তাঁর চোখে জল!

→

বাংলা কবিতার মাথা ভেঙে দিয়েছিলেন শক্তি

‘ভালোবাসার দীঘিতে কতো করেছো অবগাহন/ পেয়েছ সুখদুঃখ আর ছলে ভোলানো দাহ’– এরকম কয়েকশ জোড়ালাইন শক্তি চট্টোপাধ্যায়কে সেই ছুটন্ত আবহমান বাসের টিকিট দিয়ে দিয়েছে যে বাসের নাম ‘অমরত্ব’। সেই বাস থেকে আর শক্তিকে নামানো যাবে না।

→

অল্প যাওয়া, অল্প কথা বলা

অতিরিক্ত কোনও আবেগের সঞ্চালন সন্তর্পণে এড়িয়ে চলছেন, আর পরিমিতিই হয়ে উঠছে শিল্প, এইটা ক্রমাগত বুঝতে বুঝতে শঙ্খ ঘোষের কবিতা পড়ি। নীরবতা আর নিয়ন্ত্রণকে তাঁর কবিতায় চারিয়ে দিচ্ছেন তিনি; প্রচার নয় প্রকাশ, জোর নয় বিশ্বাস প্রবল হয়ে উঠছে। তাঁর নিজের কবিতা-ভাষা নীরবতার ভিতর থেকে, নেপথ্য থেকে সময়ের আশ্চর্য পরিক্রমা।

→

শ্রবণ-শক্তি

কিন্তু যেই জীবনে দ্বিতীয় দশক এল, কানে গেল শক্তির স্বকণ্ঠে কবিতা পাঠ। ‘দুঃখ কি সহজে যায়? তাকে ধুতে নদী-ভরা জল/ লাগে ও বাতাস লাগে সেই ভেজা অঞ্চল শুকাতে।’ এইচএমভি-র লাল মলাটের ক্যাসেট। ব্যাস হয়ে গেল নেশা!

→

অগ্রন্থিত শক্তির শক্তি

আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে সবাইকে তাজ্জব করে দিয়ে হাজির হয়েছিলেন ‘অগ্রন্থিত’ এক ‘শক্তি চট্টোপাধ্যায়’! কবিতা নয়, কবি স্বয়ং। কারণ তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন তাঁর ‘আমি’র আর কোনও অস্তিত্ব নেই, বিবরণ নেই, সত্তাভেদ নেই, একমাত্র তাঁর কবিতা ছাড়া। তিনি নিজেই দীর্ঘ এক কবিতা। অগ্রন্থিত।

→

জয় এখন শেষজীবনের বুদ্ধদেব বসুর মতোই প্রশ্নাতুর

কবি হিসেবে জয়ের প্রতিষ্ঠা বাইরের দিক থেকে যতটা বিস্ময়কর, ততটাই বিস্ময়কর তাঁর কবিতা নিয়ে অনবরত সংশয়ী প্রশ্ন করে চলা। তিরবিদ্ধ হরিণ যেমন বাঁচার পথ খোঁজে, কবিতাবিদ্ধ শরীরেরও তেমনই রক্তাক্ত পথ-সন্ধান জরুরি। তা কবির জন্য যেমন সত্য, কবিতা পাঠকের জন্যও তা-ই।

→

যেখানে কবিরা দত্তক নেন একটি করে গাছ

মাথা-বোঝাই ধান নিয়ে বাড়ি চলেছে চাষি। কাজ থেকে ফেরার পথে বানি-গরান-ঝাউয়ের জঙ্গলে, গাছের ছায়ায় মেয়েরা আজকাল জিরিয়ে নিতে পারে একটু। ওরা মনে মনে কুর্নিশ করে সেই মানুষকে, যিনি কবিতা লিখতে লিখতে ছায়াটুকুও আনিয়ে দিয়েছেন নোনা জলের মাটিতে। মেরু দেশের বরফ গলছে। পায়ের নিচে মাটি কতক্ষণ? স্মৃতি শুধু বলে যাবে– চেষ্টা চলেছিল সৃজনের।

→

তিনি নিজেই একটা বিশাল জমায়েত

হিন্দি কবি ও কথাকার বিনোদ কুমার শুক্ল গত ২৩ ডিসেম্বর চলে গেলেন। তাঁর যাওয়ার সঙ্গে কাকতালীয়ভাবে জুড়ে গেল আরাবল্লি বাঁচানোর আন্দোলন। প্রকৃতির ওপর শ‍্যেন দৃষ্টির কারণ যে মানুষের সীমাহীন চাহিদা আর প্রাকৃতিক সম্পদের চড়া বাজারদর, সেই কথাটা তিনি আমাদের অনেক দিন আগে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন।

→