Robbar

Mental Health

সোশাল মিডিয়া বর্জনই কি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ‘সোশাল’ হওয়ার উপায়?

মোবাইল ফোন এবং সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার শুধু পড়াশুনা বা খেলাধূলা নয়, শারীরিকভাবেও অসুস্থ করে তুলছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। বিভিন্ন গবেষণা বলছে, একজন মোবাইল আসক্ত কিশোর কিংবা কিশোরীর খিদে কমে যাওয়া এবং ঘুমের সমস্যা হওয়া একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

→

ভিটে হারানোর স্মৃতি, সত্তা, ভবিষ্যৎ

এসআইআর কেবল একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়– খুঁচিয়ে তোলা এক হৃদয়বিদীর্ণ করা ক্ষত, যা নিয়ে আসে ভয়ংকর মানসিক ঝড়। মনোবিদরা একে বলবেন, ‘রি-অ্যাকটিভেশন অফ অ্যাটাচমেনট ইনজিওরি’, সম্বন্ধজনিত আঘাতের পুনঃসক্রিয়তা।

→

মানসিক রোগী, যৌনকর্মীদের তাড়া করছে বেনাগরিক সাব্যস্ত হবার আতঙ্ক

এতদিন লড়াই করে যে মানুষগুলো সমাজের মূলস্রোতে ফিরে আসার চেষ্টা করেছেন, সেই কাজটাই তো বৃথা হয়ে যায়, যদি একজন মানুষ যদি একদিন সকালে উঠে দেখেন, তিনি সরকারের খাতায় বেনাগরিক হয়ে গেছেন। তখন তাঁর মনের ওপর কী প্রভাব পড়তে পারে?

→

যৌনতা, মাদকাসক্তি– জেন-জির বয়ঃসন্ধিগত জটিলতার সমাধান কোন পথে?

সাম্প্রতিক সমীক্ষার দেখা গিয়েছে নবপ্রজন্মের কিশোর বয়সেই মাদকের প্রতি আসক্ত হওয়া, যৌনতার প্রতি লালসা এবং অপরাধ জগতের প্রতি মারাত্মক ঝোঁক বেড়েছে। যা ক্রমশ চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

→

সব জাগাই মানবসভ্যতার ‘নবজাগরণ’ ঘটায় না

সম্প্রতি একটি বেসরকারি সংস্থার সর্বভারতীয় সমীক্ষার ‘গ্রেট ইন্ডিয়ান স্লিপ স্কোরকার্ড ২০২৫’-এর রিপোর্ট বলছে, ৫৮ শতাংশ ভারতীয়ই রাত ১১ টার আগে ঘুমোতে যান না। এই ‘লেট স্লিপার’দের তালিকায় বেঙ্গালুরু, মুম্বাইকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থানে রয়েছে কলকাতা। এবং এই সমস্যাটা ধীরে ধীরে গোটা জাতিকেই প্রভাবিত করছে।

→

পছন্দের পোষ্যরাই এখন নতুন সম্পর্কের ধারক এবং বাহক

জানুয়ারি ২০২৪ সাল থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সাল পর্যন্ত টিন্ডারে একটি প্রশ্ন লাফিয়ে বেড়েছে। ‘আপনি কি পোষ্য ভালোবাসেন?' গ্রাফ বলছে প্রায় ৮% মানুষ এই প্রশ্নটি একে অপরকে করেছেন।

→

ক্যানসার রোগীর সঙ্গে কীরকম ব্যবহার করা উচিত?

যে কোনও রোগের মতোই ক্যানসারেও মানসিক সুস্থতা রোগ নিরাময়ের সম্ভাবনা বহুলাংশে বাড়িয়ে দেয় এবং মানসিক ভাবে খারাপ থাকলে রোগ সারতে সময় লাগে।

→

শরীর-মনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে মুক্তিলাভ সম্ভব, একথা বলার জন্য বিবেকানন্দ যে গল্পের আশ্রয় নিয়েছিলেন

মনের শক্তিগুলির সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে শ্বাস-প্রশ্বাসের। নানা সময় একথা বলেছেন বিবেকানন্দ।

→