

চে গেভারা যখন বেঁচে ছিলেন, তখন তাঁকে কতজন চিনতেন? হয়তো এখন যতজন জাকারিয়া জুবেইদিকে চেনেন, ততজন।
৬,৮০০ জন ফিলিস্তিনির কোনও খোঁজ নেই। তাঁদের অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে আছেন। যুদ্ধবিরতির সময়কালে যদি তাঁদের একাংশকে উদ্ধার করা যায়, তাহলে মৃতের সংখ্যা আরও অনেকটা বাড়বে।
জেলখানা হল বিশ্রামের জন্যে, নির্বাসন হল ট্যুরিজমের জন্যে এবং পাথর-ছোড়া হল দৈনিক ব্যায়াম।
ইজরায়েল রাষ্ট্র বনাম প্যালেস্তাইনের জনতার সংগ্রামকে তাই কোনওভাবেই মুসলিম বনাম ইহুদি বিরোধ হিসাবে দেখানো যায় না৷ কারণ ফিলিস্তিনের অধিবাসীদের মধ্যে কেবল মুসলিম নেই৷ আছেন আরব খ্রিস্টানরাও। ‘যুদ্ধপরিস্থিতি’-র দ্বিতীয় পর্ব।
‘তুমি যদি জানতে চাও এখানে কোনও ফিলিস্তিনি গ্রাম ছিল কি না, তাহলে তুমি ক্যাকটাস গাছ খুঁজো। ক্যাকটাস সহজে মরে না।’
ঘাসান কানাফানি-র ‘ল্যান্ড অফ স্যাড অরেঞ্জেস’ গল্পটির অনুবাদ– ‘বিষণ্ণ কমলালেবুর দেশে’। ভাষান্তর বাসু আচার্য-র।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved