Robbar

Rituparno Ghosh

প্রথম টেকে মিঠুনদা ফলস খেলেন!

ঋতুদা আর রিনাদি মিলে মিঠুনদাকে মেমরি গেম বোঝাতে লাগল।

→

লীলার গল্প, ঋতুর ছবি

লীলা মজুমদারের দুটো গল্প নিয়ে ছবি করতে চেয়েছিলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ। ভাবলে বড় কৌতূহল হয়, এই অসামান্য গল্পদু’টির চলচ্চিত্ররূপ তিনি কেমন দিতেন! শেষঅবধি ছবি হয়নি, রয়ে গিয়েছে চিত্রস্বত্বর চিঠিখানা।

→

মানুষ কালীভক্ত হয়, ঋতুদা শুধু লি ভক্ত

প্রথমে বাড়িওয়ালি... এখন তিতলি... এরপর করবে চোখের বালি। ঋতুদার লি ফেজ চলছে।

→

ঋতুর ভেতর সবসময় একজন শিল্প-নির্দেশক সজাগ ছিল

ছবিগুলো প্রিন্ট করিয়েছিলাম। দিয়েছিলাম ঋতুকে। ছোট্ট একটা প্রিন্ট। হাতে নিয়ে হেসেছিল।

→

শুনলাম কঙ্কনা না কি খুবই নার্ভাস, ‘ঋতুমামা’র ছবি করবে বলে

কীর’ম করবে এতবড় অভিনেত্রী অপর্ণা সেনের মেয়ে, কৌতূহল ছিল সবার। শটের সময় পেরিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু কাঁকনের আসার নাম নেই।

→

ইউনিটে একটা চাপা উত্তেজনা, কারণ মিঠুন চক্রবর্তীর আসার সময় হয়ে গিয়েছে

ঋতুদা যাকে ‘রীণাদি’ বলে ডাকে, কে জানত কোনও একদিন আমিও সেই নামেই ডাকার সুযোগ পাব মানুষটাকে।

→

যে সময় ‘তিতলি’র শুটিংকাল, তখন পাহাড়ে ঘোর বর্ষা

আমাদের সেই রাত্রির জার্নিটা একেবারে নিরুদ্দেশ যাত্রার মতো!

→

চিত্রনাট্য পড়ে শোনাল ঋতুদা, কিন্তু ‘চোখের বালি’র নয়

হাজারো অশান্তির মধ‌্যে একমাত্র আরামের জায়গা চন্দ্রবিন্দুর রিহার্সাল।

→

জীবনের প্রথম চাকরি খোয়ানোর দিনটি দগদগে হয়ে রয়েছে

আমি একটা গান বেঁধেছিলাম অ্যাফ্রো স্টাইলে, চন্দ্রিলকে বললাম, যদি সত্যি একজন আফ্রিকানকে দিয়ে গাওয়াই। আইডিয়াতে সবাই খুব উত্তেজিত, কিন্তু তেমন গায়ক মিলবে কোথায়?

→

উত্তমের অন্ধকার দিকগুলো প্রকট হচ্ছিল আমাদের কাটাছেঁড়ায়

প্রসিদ্ধ সাংবাদিক রঞ্জন বন্দ‌্যোপাধ‌্যায়ের কাছ থেকে শোনা, সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে উত্তম গলা চড়িয়ে সুপ্রিয়াকে বলছেন, কী শাড়ি ও ব্লাউজ তিনি পরে আসবেন রাতের পার্টিতে।

→