Robbar

Rituparno Ghosh

সুপ্রিয়া-উত্তমের কন্যাসন্তান হলে নাম ভাবা হয়েছিল: ভ্রমর

দ্বিতীয় পর্বে এমন একটা কথা বললেন সুপ্রিয়া দেবী, কন্ট্রোল রুমে সকলে নড়েচড়ে বসল।

→

ধর্মতলায় ঢিল ছুড়লে যে মানুষটার গায়ে লাগবে, সে-ই উত্তম ফ্যান

ঋতুদাকে মুখ ব্যাজার করে বললাম, এত উত্তম ফ্যান পাব কোথায়? ঋতুদার মাথায় হাত। কী বলছিস, ধর্মতলায় ঢিল ছুড়লে যে মানুষটার গায়ে লাগবে, সে-ই উত্তম ফ্যান।

→

পরিচালক হলে খিস্তি দিতে হয় নাকি!

এর’ম নরমসরম স্বভাবের ডিরেক্টর হলে চলবে? সকাল থেকে একটা গাল পর্যন্ত দেয়নি।

→

সেই প্রথম কেউ আমায় ‘ডিরেক্টর’ বলল

জীবন যে আসলে এক্সট্রাভ্যাগেন্ট, জানতে শিখলাম ঋতুদাকে দেখে।

→

শুটিং চলাকালীনই বিগড়ে বসলেন ঋতুদা!

ঋতুপর্ণ ঘোষের সঙ্গে সমানতালে চার অচেনা নতুন ডায়লগবাজি করছে, চিত্রনাট্যে এমন দৃশ্যের অবতারণা সেই প্রথম।

→

ঋতুদা আর মুনদির উত্তেজিত কথোপকথনে আমরা নিশ্চুপ গ‌্যালারি

সময়ের নিরিখে ঋতুদার ভাবনাটা খুবই এগিয়ে ছিল, তখনও অবধি বাংলা টিভিতে এমন অনুষ্ঠান কিছু হয়নি।

→

আমার পেশার জায়গায় লেখা হল: পেশা পরিবর্তন

সঞ্চারী মনে হয় ফুচকা খেয়েছিল, চন্দ্রিল একটা ট্রামকে হাত দেখিয়ে, অন্য ট্রামে উঠে পড়েছিল।

→

লাইট, ক‌্যামেরা, ফিকশন, সব জ‌্যান্ত হয়ে ওঠার মুহূর্তে ঋতুদার চিৎকার!

বিধান রায় আর মোরারজি দেশাই ছাড়া আর সকলেই বোধহয় ঋতুপর্ণর ড্রইংরুমে একবার না একবার এসেছেন। লিখছেন অনিন্দ‌্য চট্টোপাধ্যায়।

→

রবীন্দ্রনাথকে পার করলে দেখা মিলত ঋতুদার

ঋতুপর্ণর বাড়িতে প্রথম দিন। লিখছেন অনিন্দ‌্য চট্টোপাধ্যায়

→