এ দেশে প্রসূতিসদন থেকে নবজাত শিশু ও প্রসূতিকে ছেড়ে দেওয়ার পরও স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে বেশ কয়েক মাস ধরে নিয়মিত একজন চিকিৎসক বাড়িতে এসে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে যান। এটা ছিল এখানকার জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার একটি অপরিহার্য অঙ্গ।
আমি যে আজকাল এত মুখ আঁকি, ‘ফবিস্ট’দের মতো অবাস্তব রং মাখাতে ভালোবাসি মুখমণ্ডলে, তার পিছনে কি প্রচ্ছন্ন থাকে ফেলে আসা দিনগুলোর অভিজ্ঞতার কিছু কিছু?
দামোদর ‘বাংলার দুঃখের নদী’। আমরা কি আদৌ কোনও দিন ভেবে দেখেছি, দামোদর সত্যি দুঃখের নদী কি না?
তবু কি এসে যায় তাতে? তোমার, আমার আর বিশ্বসংসারের সকল সন্তানের কোনও এক মা-এর লেখা এ চিঠি, আসলে তো আমাদের বাঁচিয়ে রাখার; সুস্থ থাকার, শান্তি পাওয়ার আর সময় করে দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন মুখে তোলার রিমাইন্ডার।
আর তোমরাও সন্তান-সন্ততির সঙ্গে সমুদ্রে বেড়াতে যেতে পারবে, যে স্বপ্ন তুমি অনেকদিন দেখো, কিন্তু এই স্বপ্নের কাছাকাছি যে যাওয়া যায়, তোমরা জানতে না।
ব্যাট-বলের যুদ্ধ ছাপিয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ক্রিকেট-যোদ্ধার জীবন সংগ্রাম, প্রতিকূলতার পাহাড় ভেঙে লক্ষ্যে পৌঁছনোর সংকল্প, প্রত্যাবর্তনে প্রমাণ করেছেন পন্থ।
স্থানীয় অধিবাসীদের মতের তোয়াক্কা না করে তাদের শহরের ওপর একটা নাম চাপিয়ে দেওয়ার মধ্যে স্বাধীনতা শব্দটির প্রতি রাষ্ট্রের সংবেদনশীলতা প্রকাশ পায় না, বরং প্রকট হয় ক্ষমতার আস্ফালন।
আজকাল যেমন খবরের কাগজগুলোতেও আকছার এই ‘জ়’ লেখা হয়, তখন এর তেমন প্রচলন ছিল না। বুদ্ধদেব ছাড়া আর কেউ এমন বর্ণ ব্যবহার করতেন বলেও শুনিনি। ‘ব্লাউজ’ শব্দটিতে ‘জ’ নিচে একটা করে ফুটকি দেওয়া নিয়ে প্রেসের সঙ্গে তাঁর ভুল বোঝাবুঝিও হয়েছিল। তাই অর্ডার গেল ফাউন্ড্রিতে, নতুন হরফ তৈরি হয়ে এল।
শিল্পীচিত্তের তাড়না মাঝে মাঝে এত জোরালো হয়ে উঠেছে যে, রং শুকোনোর তর সইতে পারতেন না। দ্রুত শুকোনোর জন্যে রঙের মধ্যে স্পিরিট ঢেলে দিতেন। ভারনিশ মাখিয়ে দিতেন। উপকরণের এমন বিচিত্র যোগসাজশে ছবির কাগজ দুর্বল এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তাঁদের সঙ্গে থাকত এক ঝাঁক তরুণ-তরুণী, যাদের নিয়ে দিনের পর দিন মিটিং হত কখনও শ্যামলীদি, কখনও বাণীদির বাড়িতে। মনীষা-সজল-অহনা এবং আরও কয়েকজন ছিল এই দলে। শুধু মিটিং নয় অবশ্য, ছোটদের অনেক হুজুগকে প্রশ্রয় দেওয়াও ছিল শ্যামলীদি ও বাণীদির।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved