

১৯৫৬-তে তুর্কি বিপ্লবী কবি নাজিম হিকমত লিখলেন ‘I come and stand at every door’। পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগের বিরুদ্ধে। লিখলেন একটি সাত বছরের মৃত শিশুর দৃষ্টিভঙ্গিতে। মৃত শিশুদের বয়স বাড়ে না, মৃত শিশু সভ্যতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে যুদ্ধের ভয়াবহতার চিহ্ন হয়ে।
মুখের চামড়া থেকে মেক-আপ তুলতে তুলতে চোখ কড়কড় করছিল। নিশ্চয়ই চোখের বালিই হবে।
মূর্তিতে শাসক হবেন কঠোর, শক্তির প্রতিভূ, বদলে ইনি গড়ে উঠলেন জ্ঞানচর্চার আলোয় আলোকিত এক ব্যক্তিত্ব হিসেবে। ইনি– ওয়ারেন হেস্টিংস। রিচার্ড ওয়েস্টম্যাকট গ্রেকো-রোমান ভাস্কর্যের হেলেনিস্টিক আদর্শে নির্মাণ করেন হেস্টিংসের মূর্তিটি।
সংশোধনের অছিলায় কবিতার ফেলে দেওয়া শব্দেরা এখানে জেগে উঠেছে কীসব আশ্চর্য চেহারা নিয়ে। তথাকথিত মার্কা দেওয়া সুন্দরের সঙ্গে এদের কোনও যোগ নেই।
Dialogues-এর মতো উৎসবের মাধ্যমে এমন গল্পের সঙ্গে আমাদের পরিচিত হওয়া সম্ভব, যা কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং আমাদের সমাজের বহুমাত্রিকতার আয়না।
‘হীরক রাজার দেশে’র শুটিংয়ে সত্যিই কাউকেই ভূতে ধরেনি। ধরেছিল অদ্ভুতে। সেই অদ্ভুত, অপূর্ব লোকটির নাম কামু মুখোপাধ্যায়।
আজ ভারতীয় সিনেমার শরীরে যখন বাসা বাঁধছে গোয়েবেলসীয় প্রোপাগান্ডা, তখন সেই ছয়-সাতের দশক থেকে কারণে-অকারণে, প্রেমে-বিরহে, স্কুলকলেজ বা অফিস কাটিয়ে বা পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে সিনেমা হলের আশ্রয় যারা নিয়েছে, তারা জানে অন্ধকারের মহিমা। শেষ হল জনতা সিনেমা হল।
বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ১৯৪৭ সালের ধর্মভিত্তিক বিভাজনের রেশ থেকে গিয়েছিল। কিন্তু সব কিছু সহ্য করেই বাংলাদেশ তাঁদের আপন দেশ বলে, সংখ্যালঘু নাগরিকরা মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন।
মস্তিষ্কে পচন, অর্থ হয়, স্মৃতিও অথৈ জলে। একবারও মোবাইল স্ক্রিনে টাচ না করে, শেষ কোন সিনেমাটি দেখেছেন আপনি? গভীর মনোযোগে? বই পড়তে পড়তে ভুলে গেছেন সোশাল মিডিয়ার যাবতীয় ক্যাচাল?
সেই সোভিয়েত দেশও নেই, পার্টিও নেই– এই বলে নিজের মনকে বুঝিয়ে আমি বিশেষ এক মহলের জন্য সাংবাদিকতার কাজে নেমে পড়লাম।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved