১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট মধ্যরাতে গণপরিষদে দেওয়া জওহরলাল নেহরুর ‘আ ট্রিস্ট উইথ ডেস্টিনি’ ভাষণ চিরকালীন ভাইরাল। এ বার সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হল লোকসভায় মধ্যরাতে দেওয়া জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এ বিমল আকোইজমের ভাষণ।
১৭৯৩-তে ফরাসি বিপ্লবের সূত্র ধরে আবার ফরাসিদের হাতছাড়া হয় চন্দননগর। মোট চারবার ইংরেজদের অধীনে থাকার পর ১৮১৬ থেকে ১৯৫০ পর্যন্ত শহরটি ছিল ফরাসিদের দখলে।
শান্তিপুরের সাহাপাড়া হল তাঁতিদের পাড়া। যে বাড়ির ঠিকানা ছিল সেখানে গিয়ে কালাচাঁদ দালালের খোঁজ করতে অতীব সাধারণ চেহারার যে মানুষটি বসে তাঁত চালাচ্ছিলেন, বললেন যে তিনিই কালাচাঁদ। অজয় চমকেছিলেন বটে! একজন তাত্ত্বিক, দাপুটে নেতাকে তিনি এভাবে মোটেই কল্পনা করে আসেননি।
ফ্রিদা মারা যাবেন– এমনটা ধরে নেওয়া হলেও, ফ্রিদা বেঁচে থাকেন এবং মানুষকে ভালোবাসেন, ঘৃণা করেন, প্রেমে পড়েন, প্রেম করেন, রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকেন ও ছবি আঁকেন।
মেহিকোর সাহিত্যিক কার্লোস ফুয়েন্তেস যেভাবে ফ্রিদাকে দেখতে পেয়েছিলেন, আজ তাঁকে আমরা সেইভাবে কল্পনা করতে চাই।
যুদ্ধ। নিকো উইলিয়ামস। ফুটবল। তিনটি সমরেখ বিন্দু।
বাংলা ভাষা সেই পাঁচের দশকে যদি বারীন ঘোষের ‘ছিন্নমূল’, সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’, ঋত্বিক ঘটকের ‘অযান্ত্রিক’-এর (যেহেতু ‘নাগরিক’-এর মুক্তি পরে) জন্ম দিয়ে থাকে, তাহলে ১৯৬৯ সালে মৃণাল সেনের ‘ভুবন সোম’ ভারতীয় নববসন্তের অস্তিত্ব জানান দিল।
কোম্পানির আমলে কেল্লা বা ময়দানের যে সামরিক অর্থ ছিল, তা সাম্রাজ্যের রাজধানীতে আর বিশেষ মানে বহন করে না।
তিনি ফের চলে যাবেন অন্তরালে। সময় কাটাবেন পরিবারের সঙ্গে। মাঝেমধ্যে তাঁকে দেখা যাবে, দেশের কোনও নাম-না-জানা স্টেডিয়ামে বসে সন্তানের খেলা দেখছেন। হয়তো মাঠে নেমে এক কিশোর ক্রিকেটারের স্টান্স ঠিক করে দিলেন।
রাজাদিত্যদা, ভিস্তিওয়ালাদের নিয়ে আপনার তথ্যচিত্র ‘ওয়াটারওয়ালা’ দেশ-বিদেশে প্রশংসিত হচ্ছে, আমি শুরুতেই জানতে চাইব কী করে প্রথম পরিচয় হয়েছিল ভিস্তিওয়ালাদের সঙ্গে? আমার জন্ম ১৯৭০ সালে। আমাদের ছোটবেলায়, যখন বিশ্বায়ন বহু দূর, বড় হচ্ছিলাম দক্ষিণ কলকাতায় তখন ধারণা ছিল বড় ব্যাগ নিয়ে…
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved