

কবিতা চাইতে এসে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকেও বেজায় ঘুরিয়েছিলেন শক্তি। আমাদের অন্তরঙ্গতা ছিল পারিবারিক। বাড়িতে আসতেন। খেতেন লিকার চা। শক্তির সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পাওয়ার দিন, সবার আগে বাড়িতে উপস্থিত হয়েছিলেন তিনিই।
পদক যাঁরা পাচ্ছেন, যাঁরা পাবেন, তাঁদের কুর্নিশ জানাতেই হয়। আর যাঁরা পেলেন না, তাঁদের হার্ডওয়ার্কটাও ফেলনা নয়। সেটাও ভীষণ রকম শিক্ষণীয় একটা ব্যাপার।
ঘৃণার পৃথিবীতে ভালোবাসাকে জয় করেছেন বিনেশ। চিরকালের মতো।
আশ্বিন ১৩৪৮ সংখ্যার (১৩শ বর্ষ, ১২শ সংখ্যা) প্রচ্ছদে শনিবারের চিঠির সিগনেচার মোরগ ছোট হয়ে নেমে এল শেষের মার্জিনে। বড় করে ছবি ছাপা হল রবীন্দ্রনাথের, পাশে আনতপদ্ম।
সেই সময় নতুন কোনও পত্রপত্রিকা বেরলেই রবীন্দ্রনাথের আশীর্বচন নিয়ে পত্রিকা সূচনা করার যে প্রচলিত রীতি ছিল, তার একেবারে বিপরীতে গিয়ে দেখা গেল, ‘পরিচয়’-এর প্রথম সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথের কোনও লেখা কোথাওই নেই!
যে উন্মত্ত জনতার ঢেউ রবীন্দ্রনাথকে প্রয়াণের পর ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল, সেই ঢেউ হয়ে ওঠা জনতার অন্তর্গত মানুষগুলি কি জানতেন, তাঁদের এই মানুষটির প্রতি বিশ্বের মানুষের গভীর শ্রদ্ধার কথা! কয়েক মাস পড়ে, এই সংখ্যাটি কি হাতে নিয়ে দেখেছিলেন ভিড়ের মানুষেরা?
শ্রীরামকৃষ্ণের সামাজিক গুরুত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হলেও ব্রাহ্ম রবীন্দ্রনাথের পক্ষে সেই কালী পূজারীকে ভক্তি প্রদর্শন সহজ নয়। এই দোলাচল স্পষ্ট অনেক আগে থেকেই।
ওরা সিনেমা দেখতে আসেনি। ইংরেজি শিখতে এসেছে।
রূপমন্দিরই ছিল আমাদের ব্ল্যাক-শিক্ষার প্রথম বিদ্যালয়।
টানা ছ’মাস ব্যারাকপুরে থাকতে হবে বলে জঁ রেনোয়ার ‘রিভার’ ছবিতে কাজ করা হয়নি আমার। আজ, ৬ আগস্ট, মণিকা গুহঠাকুরতার ৯৫তম জন্মদিন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved