

অভিনেত্রী এস্থারকে দেখতে প্রায় প্রতিদিন থিয়েটারে যান জোড়াসাঁকোর প্রিন্স।
স্যাটায়ারের মোড়কে সামাজিক বার্তাও কীভাবে দর্শকের মন ছোঁয়ার উপযোগী করে বানানো যেতে পারে, ‘লাপতা লেডিজ’ তার প্রমাণ।
মিনা জেগে যাওয়া সিংহী ছিল। খাদ হোক বা হেকমতিয়ার, কারই বা সাধ্য ছিল তার চাপা গর্জনে নিষ্কম্প থাকার?
অধ্যাপকের পরামর্শ ছিল, যতদিন সম্ভব, সিস্টেমের ভেতরে থেকেই কাজ।
এই সময়ের আশপাশেই ‘আদিম লতাগুল্মময়’-এর এই কবিতা লিখেছিলেন শঙ্খ ঘোষ।
প্লেগের কলকাতা। কাঁচা বাড়ি ভাঙা পড়ার কলকাতা।
প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আগেই শুরু হয় রাগ হওয়া। এসব ধারণার শিকড় কোথায়?
দোতলার জানলায় যে অনন্ত রাগ পুষে রাখা ছিল, তা যে এইভাবে উপচে পড়বে গরম পিচের মতো, ভাঙাচোরা রাস্তায়, তা কেউ ভাবতে পারেনি!
রাগের বহিঃপ্রকাশ জরুরি, কিন্তু সেটা ধ্বংসাত্মক নয়, ইতিবাচক এবং গঠনমূলক দৃষ্টিকোণে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved