

কোরাস গানের সঙ্গে রুমাল উড়িয়ে হাততালি-সহ নাচতে দেখেছি কৃত্তিবাসের লেখকদের। তাঁদের মধ্যে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ও থাকতেন।
যে জাতকে রয়েছে জীবনসঞ্চারী মন্ত্রর কথা।
জ্যোতি একা দাঁড়িয়ে আছে রাতের অন্ধকারে জোড়াসাঁকোর বাড়ির বিরাট ছাদটার এক কোণে।
রোহন বোপান্না একা তো অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জেতেনি। তিনি একলহমায় জিতিয়ে দিয়েছেন অসংখ্য, অগণন ‘বুড়ো ঘোড়া’দের।
একদিন দেখা গেল, তৎকালীন অর্থমন্ত্রী অশোক মিত্র-কে হাত ধরে টানতে টানতে লিটল ম্যাগাজিনের ছাতার দিকে এগিয়ে চলেছেন কবি বীরেন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। অশোক মিত্র সামান্য বিব্রত হলেও হাসছিলেন। একটি ছাতার কাছে তরুণ কবিদের স্টলের সামনে এসে থামলেন তাঁরা। অশোক মিত্র বললেন, ‘বীরেনবাবুর কবিতার বইগুলি আমি কিনতে চাই।’
বাস্তবে ফুটবলের পরিধি ছাপিয়ে পৌলমী ঘোষের এই গ্রন্থ বৃহত্তর সমাজে বঞ্চিত নারীমানসের কথা তুলে ধরার স্পর্ধা দেখিয়েছে।
ওদিকে, ত্রিপাঠী সাহেব তখন রাহুলকে ফোনে বলছেন, ‘কনগ্র্যাটস। তোমার সোর্স ঠিক খবর দিয়েছে।’
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved