

পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বাবা-রা প্রাধান্য পাবেন, সেটা স্বতঃসিদ্ধ ধরে নিয়ে বড় হতে থাকি।
থিমপুজো হলেও, মূর্তি গড়তে গিয়ে মাতৃভাব সবসময় বজায় রেখেছি।
‘নাইটহুড’ সম্মান ফেরানোর পর রবীন্দ্রনাথের লেখার উপরেও যে সেই অদৃশ্য প্রহরা জারি ছিল, তার সাক্ষ্য দেয় কবির ব্যক্তিগত চিঠি।
হোটেলের মেনু কার্ড, আদতে খাবারের পাসপোর্ট– প্রবাসীর ঘরে ফেরা।
মেলার শেষ দু’দিন বা তিনদিন বেশিররকম ছাড়ে বই দেওয়া হত। নাম ছিল ‘বইবাজার’। ৮০% পর্যন্ত ছাড়ে বই পাওয়া যেত।
মালবিকার মালার চাইতে সাধারণের চিত্তে জ্ঞানের আলোর বিকিরণই রবীন্দ্রনাথের কাছে শ্রেয় বলে মনে হয়েছিল।
আমাদের সেই রাত্রির জার্নিটা একেবারে নিরুদ্দেশ যাত্রার মতো!
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved