Robbar

Sangbad Pratidin Robbar

জনতা স্টোভ, জনতা বাসন

যন্ত্রপাতির ব্যাপারগুলো পুরুষদের এক্তিয়ারে, কিন্তু রান্নাঘরের যন্ত্রপাতি যেন পুরুষের নয়।

→

বাঙালির উর্দু-বিরাগ নেই, উৎপত্তির ইতিহাস জানলে উর্দুকে ‘বহিরাগত’ও বলা চলে না

উর্দু ভাষা ভারতবর্ষীয় সম্মিলনের চিহ্ন বহন করছে। শৌরসেনী প্রাকৃতের বিশেষ একটি রূপ দ্বাদশ শতাব্দীতে দিল্লি ও মিরাটের প্রতিবেশী ভূখণ্ডে ব্যবহৃত হত। এই সচল ভাষা-ভেদটিই উর্দুর ভিত্তি।

→

‘পুরুষ যা চায়’ তার প্রতি লক্ষ্য রেখেই কি মহিলাদের রিলের কনটেন্ট তৈরি করা?

রিলে যেভাবে গৃহকর্মেনিপুণা, ধর্মভাবে প্রবল বিশ্বাসী, স্বামীসেবার যে ‘অবাস্তব’ স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে, তা অন্য মহিলার ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং তা গৃহহিংসার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

→

যখন জঁর নিজেকে নিয়েই সন্দিহান

নাটকের এই ক্ষণেই যে টেনশনটা তৈরি হয়, তা ওয়েস্টার্নে আগে দেখা যায়নি। ক্লান্ত উইল এখন স্ত্রীর ধর্ম অনুসরণ করে ভায়োলেন্স পরিত্যাগ করতে চান; তিনি চান দ্বৈরথে না গিয়ে যদি টাউনের সবাই মিলে ফ্র্যাংককে নিরস্ত করা সম্ভব হয়।

→

ধর্মমোহের রক্তাক্ত মুহূর্তে মনে পড়ে ডিরোজিওকে

নলিনীর কাছে বিদায় নেওয়ার প্রাক্কালে ফকির প্রতিশ্রুতি দিল ঘরে ফিরে এসে চিরদিনের জন্য ছেড়ে দেবে দস্যুবৃত্তি। পরে খুঁজে পাওয়া গেল দু’টি মৃতদেহ, একটি দস্যুসর্দারের আর তাকে আঁকড়ে পড়ে থাকা নলিনীর। সুজার সেনা কিন্তু সেই যুদ্ধে পরাজিত হল।

→

বিশ্বকর্মার বাহন, রাজারও বাহন

হাতি চারপেয়ে বিশালকায় জীব। পর্বতের মতো। দেবশিল্পী বিশ্বকর্মার বাহন। তবে বিশ্বকর্মা এখন থার্ড বেঞ্চের ঠাকুর। প্রথম বেঞ্চে হাতিমুখো সিদ্ধিদাতার অধিষ্ঠান।

→

উপাসনালয় তৈরি এদেশের মূল ব্যবসা, তাহলে সেখানে ধর্ষণ আটকানো গেল না কেন?

দক্ষিণ ভারতে হিন্দুধর্মের দেবদাসী প্রথা, ইসলাম ধর্মের খানকা ব্যবস্থা কিংবা হিব্রু বাইবেলে মোজেসের ভোগের উদ্দেশ্যে কুমারী মেয়ে ছাড়া বাকি সকল নারী-পুরুষদের হত্যা করার বিধান কি একই ধর্মীয় সুতোয় বাঁধা নয়?

→

মুকুল কিংবা ফিলিস্তিনি বালক, খুঁজে চলেছে যে যার ঘর

অতীতের জলতরঙ্গে ক্ষণিক পা ডুবিয়ে আমরা বর্তমানের সিঁড়ি ভাঙি, ভেঙে এসে দাঁড়াই ভবিষ্যতের চাতালে। কত কিছুই তো পুরনো হয়ে যায় জীবনে। ঘড়ি। ছাতা। কলম। পাড়া। প্রেমিকা। হয় না শুধু ঘর। কখনও হবেও না

→

সুখ নেই যশের গৌরবে

কন্যা বেলা ভাগীদার হননি কবির নোবেল পাওয়ার খবরে। কারণ তখন চার বছরের শীতল সম্পর্ক শুরু হয়েছে। ক্ষমা চেয়ে একের পর এক চিঠি লিখে গেছেন কবি– মেয়েকে, জামাইকে, তবু তাঁরা কাছে আসেননি। মেয়ে বাবাকেই দোষী সাব্যস্ত করেছে, জামাই-শ্বশুরের প্রতি বিদ্বিষ্ট হয়েছে। আর রবীন্দ্রনাথ নিজের সহ্যশক্তি দিয়ে তা সহ্য করে গিয়েছেন।

→