Robbar

Sangbad Pratidin

‘গীতাঞ্জলি’ হয়ে উঠুক উভপ্রার্থনা ও উভকামনার গান, অঁদ্রে জিদকে বলেছিল তাঁর টেবিল

লেখার টেবিলে বসলেই টেবিলটা আমাকে নিয়ে যায় আমার অতীতে। আমার আমাকে বলে, ‘তোর অতীতের পাপ, অপরাধ, নরকই তোর লেখার স্বর্গ। সব রত্ন লুকিয়ে আছে ওখানেই। তোর পক্ষে লেখার উপাদান আর কোথাও পাওয়া সম্ভব নয়।’

→

ফেলুদা, ব্যোমকেশ কলকে পায়নি, কিন্তু বাংলার পুতুল শিল্পে ‘শক্তিমান’ প্রবল জনপ্রিয়

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপে সুপার হিরোদের ‘realistic action figure’ বা বাস্তবধর্মী ছোট সংস্করণ সংগ্রহের ঐতিহ্য রয়েছে। এমনকী, চিনে হলিউড সুপার হিরোদের ব্যাটারিচালিত খেলনা তৈরির একটা বিশাল শিল্প রয়েছে। এত প্রতিকূলতার মাঝেও সমানে লড়ে গিয়েছে বাংলার মৃৎশিল্পীদের তৈরি শক্তিমান পুতুল।

→

মানুষই ফাঁদ পাতছে, তুমি পাখির মতো পাশে দাঁড়াও

৩ ডিসেম্বর চলে গেল বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস। প্রতি বছর এই দিনটি আসে, চলে যায় কিন্তু বাস্তবের রুক্ষ পথটার কোনও পরিবর্তন হয় না।

→

ডানহাত দিয়ে প্রতিমার বাঁ-চোখ, বাঁ-হাত দিয়ে ডানচোখ আঁকতেন ফণীজ্যাঠা

পঞ্চাননতলার পাশে ফণী পোটোর বাড়ি বলে কি কেউ একটা লিখে দিতে পারত না!  তাহলে আমিই করব এবার। এই লেখাটার মাধ্যমেই ইন্টারনেটে নাম তুলব ফণীজ্যাঠার।

→

আমাদের কাঙ্ক্ষিত প্রেম অসময়েও আসতে পারে

‘কাতলা কারি’-তে সমাজের রক্ষণশীল মানদণ্ডের প্রতি সমালোচনা প্রকাশিত হয়েছে, কিন্তু সেই সীমাবদ্ধতা নিয়ে আরও গভীর আলোচনা করা যেত।

→

পুঁথি-পড়া পণ্ডিতি নয়, দার্শনিক জিজ্ঞাসাই ছিল সুনীতিকুমার পাঠকের জীবনসাধনা

সুনীতিকুমার ‘মানবতা’ অর্থে ব্যবহার করতেন ‘হিউমেননেস’ শব্দটি। শুনে মনে হত, রবীন্দ্রনাথ যে ‘মানুষের ধর্ম’-এর কথা বলেছিলেন, এই ঋষিকল্প মানুষটির ধারণা-বিশ্ব সম্ভবত তার থেকে খুব দূরবর্তী নয়।

→

নিছকই একটা পত্রিকা নয়, ‘কলেজ স্ট্রীট’ আমাদের আবেগ

সাহিত্যের সব দিকে ‘কলেজ স্ট্রীট’ হাত না বাড়ালেই ভালো। বলাইবাহুল্য এই মতামতকে আমরা আদপেই গুরুত্ব দিইনি।

→

‘কাঠখোদাই’ গ্রন্থবদ্ধ হলেই নিয়ে আসব আমার পড়ার ঘরে

জয় গোস্বামী লেখালিখি থেকে স্বেচ্ছা-অবসর নিলেও, তাঁর এই এক টুকরো পাঠপ্রতিক্রিয়া পাঠকদের উত্তেজিত করে। পুরস্কৃত করে লেখককেও।

→

কুম্ভীলকবৃত্তি অবলম্বন করে রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা বই

'কৃষ্ণপ্রসন্নর খেরোর খাতা' আর 'মৃত্যুর জবানবন্দি' তাই আদতে পৃথক থাকতে পারে না, দু'য়ে মিলেই এক আখ্যান। যা উপন্যাসের আঙ্গিক নিয়েও পাঠকের সঙ্গে অন্যরকম মোলাকাত প্রত্যাশা করছে।

→

হিকমতের মৃত শিশুটির বয়স বাড়ে না, সভ্যতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে যুদ্ধের চিহ্ন হয়ে

১৯৫৬-তে তুর্কি বিপ্লবী কবি নাজিম হিকমত লিখলেন ‘I come and stand at every door’। পারমাণবিক অস্ত্র প্রয়োগের বিরুদ্ধে। লিখলেন একটি সাত বছরের মৃত শিশুর দৃষ্টিভঙ্গিতে। মৃত শিশুদের বয়স বাড়ে না, মৃত শিশু সভ্যতার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে যুদ্ধের ভয়াবহতার চিহ্ন হয়ে।

→