Robbar

Uttam Kumar

‘অমানুষ’ ছবি দেখে উচ্ছ্বসিত দর্শকরা শক্তি সামন্তকে কাঁধে তুলে নিয়েছিল

নকশাল আতঙ্কের মধ্যে প্রাণের ভয়ে মুম্বই চলে গিয়েছিলেন উত্তম কুমার। সেখানেই আলাপ হয় শক্তি সামন্তর সঙ্গে। শক্তি তাঁকে নিয়ে বানান ভারতের প্রথম বাই-লিঙ্গুয়াল ছবি ‘অমানুষ’। হিন্দি ধাঁচে বানানো এই ছবি বাঙালি কতটা পছন্দ করবে তা নিয়ে সংশয় ছিল পরিচালকের। কিন্তু ঘটল সম্পূর্ণ বিপরীত।

→

‘না কিনুন, একবার হাতে নিয়ে দেখুন!’

ভিড়ভর্তি মেলার মাঠে দু’ হাত অন্তর ছবি! হাতছানি দিয়ে ডাকছে, কতকটা আদ্যিকালের ছাপানো বিজ্ঞাপনের অদৃশ্য সুরে– ‘না কিনুন, একবার হাতে নিয়ে দেখুন!’ বিস্তর শিল্পী, লেখক, সম্পাদক, ছাপাখানার কর্মীদের সমবেত সম্মেলনে এক মহা ধুমধাম। বইয়ের ছবি? ছবির বই? নাকি ছবিতে গল্প? কোনটা? বোধহয় সবগুলোই সত্যি।

→

ছাব্বিশের বইমেলা বাণীপ্রধান!

মেলার চারদিকেই শব্দের বাগান, স্বপ্নের দৃশ্য। চোখ কচলে, গায়ে চিমটি কেটে নিজেকে আশ্বস্ত করার প্রয়োজন নেই। যাহা ঘটিল, তাহাই সত্য। স্টলে স্টলে দলে দলে লোক যে ভেসে যায়।

→

কবির বিশ্রাম

‘পিয়াসা’ ছবির সূত্রপাতের দৃশ্যটি যদি আমরা দেখি তবে শাগালের বিখ্যাত ‘কবির বিশ্রাম’ ছবিটির কথা মনে পড়ে যাবে। টাইটেল কার্ড একটা শালুক-পদ্মে ঢাকা পুকুরে পড়লেও, ছবির চলমানতা শুরু হয় অদ্ভুত এক ফ্রেমে। যেখানে বিজয়, আমাদের কবি, শুয়ে আছেন প্রকৃতির নিচে।

→

ভাঙবে, তবু মচকাবে না

ভাবছেন, চা খাওয়ার নাম করে জ্ঞান দিচ্ছি। বিস্কুট নিয়ে লেকচার ঝাড়চ্ছি! না, মশাই! আষাঢ়ে গপ্পো ফেঁদে বসিনি। বিস্কুটের দিব্যি!

→

‘মেরি গো রাউন্ড’ গানের রেকর্ডিং-এ গায়িকার জন্য সারাদিন অপেক্ষা করেছিলেন সুচিত্রা সেন

স্টুডিও যেন এক মুহূর্তে কলকাতার পার্ক স্ট্রিটের নাইট ক্লাব হয়ে গেল। তালে তালে নেচে উঠল সুচিত্রা সেনের ভ্রূ যুগল। সুচিত্রা সেন যেন হয়ে উঠলেন সত্যিকারের রিনা ব্রাউন। গানটা নিজেই হয়ে উঠল কোরিওগ্রাফার। সুজি মিলার যেন হয়ে গিয়েছেন সুচিত্রার পুরু ঠোঁট। পারফেক্ট ‘মেরি গো রাউন্ড’।

→

‘কেচ্ছা’ থেকে বাঁচতে নিজেকে দেবীত্বের খোলস পরিয়েছিলেন সুপ্রিয়া?

তাঁর গ্ল্যামারাস ব্যক্তিত্ব, ভারী গলার স্বর, অত্যাশ্চর্য মেকআপ, বুফোঁ চুল, স্লিভলেস ব্লাউজ ছিল অতুলনীয়। এমনকী, ‘সূচিত্রা’র সঙ্গেও তুলনা চলে না– বলা যায়, সুচিত্রা সেন ছিলেন বাঙালি ভদ্রলোকের ফ্যান্টাসি, আদর্শিক নারী; কিন্তু সুপ্রিয়া দেবী ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে, আগুনের শিখার মতো।

→

আমার মূর্তির অনতিদূরে যদি রমার একটা মূর্তি করা যায়

আজ ৩ সেপ্টেম্বর। উত্তমকুমারের জন্মদিন। বাংলা ও বাঙালির মহানায়ক পা দিলেন জন্মশতবর্ষে। সেই উপলক্ষে এই অলীক-আড্ডা, ওপেন সিক্রেটে।

→

গুরু এই সেলুনেই চুল কাটতেন

আধা সি-থ্রু কাচ, নিয়ন্ত্রিত ফিনফিনে তাপ, স্টুডিও-সম আলো, বাবুইবাসা-ফুলঝাড়ু-জাম্বু কাট খোকাদের ছবি। আধুনিক কেশ স্যালোঁদের কথা বলছি না। খুঁজছি  এমন কিছু সেলুন, যা রয়ে গিয়েছে শহরের পুরনো পাড়ায় পাড়ায়। উত্তম চরিত্রের মতোই তারা রিট্রো, এগজটিক। সাইনবোর্ডে হাতে রং করা বা কাঠের অক্ষর উঠে থাকা নাম।

→

উত্তমের যে ছবিকে অস্বীকার করতে চেয়েছিলেন মৃণাল সেন

উত্তমকুমারের আবির্ভাবকালের মতোই মৃণাল সেনও এই প্রথম ছবিতেই সুপার ফ্লপ। সে বছর উত্তমকুমারের আরও ১১টা ছবি মুক্তি পায়। তাদের মধ্যে ছিল সুপারহিট ‘সবার উপরে’।

→