Robbar

Virat Kohli

পুরনো-নতুনের কথোপকথন

বছর যায়। বছর আসে। ব্যাপারস্যাপার হরে-দরে একই থাকে। কেমন হত, যদি মানুষের মতোই, দুটো বছর একে-অপরের সঙ্গে কথা বলত? কী বলত তারা? সারা বছরের ভালো-মন্দ থেকে কী বেছে নিত? আগামী বছর কি বিগত বছরকে দোষারোপ করে? নতুন বছরের থেকে কি বিগত বছর আশা করে কিছু? রইল দুই বছরের সংলাপ।

→

গানের ভিতর ক্রিকেট, ক্রিকেটের ভিতর গান

জেমিমা রডরিগেজ গান করেন। গিটার বাজিয়ে। আবার সুনীল গাভাসকরকে প্রস্তাব দেন ডুয়েটের। কৈশোরে দেখেছি বীরেন্দ্র শেহবাগকে। ছোট কাগজে তরুণ কবির প্রথম কবিতা, হেলমেটের ভিতর ভরে আনেন কিছু বিস্ফোরক আর কিছুটা কিশোরকুমার। এসব গানের ভিতর ক্রিকেট। আবার ক্রিকেটের ভিতর গানও আছে পুরো দস্তুর।

→

ও ক্যাপ্টেন! মাই ক্যাপ্টেন!

ভারতে বৃহত্তর মধ্যবিত্ত সমাজে, এক কৃষক পরিবারের সন্তানের কাছ থেকে এই হার না মানা মনোভাবটাই প্রত্যাশিত ছিল। যে অধ্যবসায় কাকভোরে ওঠে নিজের ক্রিকেট-সাধনায় নিয়োজিত হতেন, সেই চোয়ালচাপা লড়াইয়ের সহজ পন্থায় এজবাস্টনে ভারতকে জেতালেন শুভমান।

→

স্টাম্প মাইক এখন মাঠে ঢুকে পড়ার এক আশ্চর্য জানলা

স্টাম্প মাইক হিচককের ছবি ‘Rear window’-র মতো। কেবল লুকিয়ে পড়শিকে জানলা দিয়ে দেখে নেওয়া। এতে এক গোপন আনন্দ আছে। এর বাইরে আছে মাঠ। স্ট্যান্ডে বসে খেলা দেখার উত্তেজনা। ওই লাল বল উইলো কাঠে লাগলে যে শব্দের মূর্চ্ছনা, তাতে আমার প্রাণ রাখা আছে।

→

শচীন-বিরাটরা আসেন-যান, ভারত থেকে যায়

শচীন নেই। বিরাট নেই। তো কী হয়েছে! যশস্বী আছেন। শুভমান আছেন। বোল্ড ইন্ডিয়া আছে। ভয়কে জয় করার মন্ত্রগুপ্তি তাঁদের নখদর্পণে!

→

গণ-উন্মাদনা যখন ফায়দা তোলার কৌশল, উৎসবের করুণ পরিণতি তখন ভবিতব্য

আইপিএল নিয়ে এই চরম উন্মাদনা কি স্বাভাবিক ক্রিকেট-প্রেম থেকে উদ্ভুত, না কি তা স্রেফ গ্ল্যামার-জগৎ আর অতিরিক্ত হাইপের যৌথতায় নির্মিত এক কৃত্রিম উত্তেজনা, যা বুদবুদের মতো সৃষ্টি হয়ে এক সাময়িক গণ-হিস্টিরিয়া তৈরি করে?

→

কিং কোহলি দেখালেন, ধৈর্যের ফল বিরাট হয়

খেলা‌ এমনই এক ধৈর্য পরীক্ষার অগ্নিকুণ্ড, যা তার মহীরুহকেও রেয়াত করে না। ক্রিকেট কেরিয়ারের অন্তিম লগ্নে পৌঁছে বিশ্বকাপ পেয়েছিলেন শচীন। ২৪ বছরের শবরীর প্রতীক্ষা শেষে। লিওনেল মেসিও সহজে পাননি বিশ্বজয়ীর বরমাল্য। ক্রিশ্চিয়ানো তো চল্লিশেও যক্ষের মতো আকাঙ্ক্ষা আগলে বসে। আসলে ধৈর্যের ফল বরাবরই মিঠে হয়‌।

→

যে বাজার তাঁকে ‘বিরাট’ করেছিল, অবসর ঘোষণায় তাকেই ব্যাকফুটে ঠেললেন কোহলি

কেন জানি না মনে হচ্ছে, ফেলে আসা সব সুখস্মৃতির দিকে তাকিয়ে বিরাট কোহলি সত্যিই হাসছেন। টেস্ট ক্রিকেটের এই সমাধানহীন ধাঁধায় মজা পেয়ে, মুগ্ধ হয়ে এবং কাতর হয়ে।

→

মনকে শক্ত করো টেস্ট, রাজা আর ফিরবেন না

দেশের সফলতম চেজমাস্টারকে কেন বিদায় নিতে হবে শুষ্ক ইমেল-বার্তায়? কেন শতকোটি জনতার চোখের জলে আর্দ্র রাজপথ ধরে মিলিয়ে যাবে না কোহলির গর্বের ক্রিকেট-যাত্রা?

→

ধোনিবাদ: ধাঁধার চেয়েও জটিল তুমি…

এ পোড়া দেশের কোনও ক্রিকেট-অনুরক্ত ধোনিকে, তাঁর ক্রিকেট প্রজ্ঞাকে অনুধাবন করতেই পারল না। তাদের কাছে ধোনি আসলে ধাঁধার চেয়েও জটিল।

→