স্বামী বিয়ের বাইরে পা ফেলে অন্য নারীর আঁচ পোয়াবে স্ত্রীকে জানিয়ে। স্ত্রী বিয়ের গণ্ডির বাইরে ভিন্ন পুরুষের ওম পোয়াবে স্বামীকে অবগত রেখে। যেমন এক রান্না রোজ খাওয়া যায় না। স্বাদ বদলের প্রয়োজন আছে। তেমনই আর কী! এতে কোনও অন্যায় নেই। এইটুকু মেনে নিতে পারলে বিয়েটা সহনীয় হয়ে উঠতেও পারে।
কেটারিংয়ের ভোজ কলকাতার খুব হাতেগোনা বর্হিষ্ণু পরিবারে আগে থেকে চালু থাকলেও যতদূর মনে হয়, '৭৫-এর জরুরি অবস্থার সময়ে গৃহস্থ যখন অনুষ্ঠানবাড়ির নিমন্ত্রিতের সংখ্যা কমাতে বাধ্য হলেন, তখন থেকেই সম্ভবত মধ্যবিত্ত পরিসরেও এই ঘরোয়া পরিষেবাটির আউটসোর্সিং শুরু হয়।
সম্পন্ন বনেদি পরিবারের তরফে নেমন্তন্ন করার সময় প্রায়শই আমন্ত্রণপত্রটি দেওয়া হত একটা পিতল বা কাঁসার থালায় ওপর রেখে। সঙ্গী হত পাশে শায়িত পান-সুপুরি। এই থালার পোশাকি নাম ছিল ‘আমন্ত্রণী থালা’।
বিবাহ অভিযান হবে। আর ‘বিয়ের গাড়ি’ থাকবে না, তা হয় নাকি! বর হোক কনে, দু’বাড়িতে বিয়ের জৌলুস বাড়িয়ে দেয় ফুলে সাজানো ধবধবে একখান গাড়ি। সবাই তাকে একডাকে চেনে– ‘বিয়ের গাড়ি’। আজ শুভক্ষণে সেই চার-চাকার সুখ-দুঃখের দু’চার কথা।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved