Robbar

সুন্দরবন

যেখানে কবিরা দত্তক নেন একটি করে গাছ

মাথা-বোঝাই ধান নিয়ে বাড়ি চলেছে চাষি। কাজ থেকে ফেরার পথে বানি-গরান-ঝাউয়ের জঙ্গলে, গাছের ছায়ায় মেয়েরা আজকাল জিরিয়ে নিতে পারে একটু। ওরা মনে মনে কুর্নিশ করে সেই মানুষকে, যিনি কবিতা লিখতে লিখতে ছায়াটুকুও আনিয়ে দিয়েছেন নোনা জলের মাটিতে। মেরু দেশের বরফ গলছে। পায়ের নিচে মাটি কতক্ষণ? স্মৃতি শুধু বলে যাবে– চেষ্টা চলেছিল সৃজনের।

→

দূরদর্শনের জন্য প্রথম তথ্যচিত্র করা আসলে ছিল অ্যাডভেঞ্চার!

সরু সরু খাঁড়ির মধ্যে দিয়ে চলেছি জেলেদের নৌকো করে, ওরা আমাদের মুখোশ পরিয়ে দিয়েছে, মাথার পিছনে যেন আরেকটা মুখ, বাঘকে ভড়কি দেওয়ার ফন্দি, বাঘ কি আর অত বোকা, ঘাড় মটকানোর হলে লাফিয়ে আসতেই পারে নৌকোয়।

→

সুন্দরবনের বাঘ-বিধবাদের টুরিস্টদের কাছে ‘পণ্য’ করে তোলা নিন্দনীয়

১৯৭০-এর দশকে সুন্দরবন ভ্রমণ শেষে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর জাদু গদ্যে অন্য অনেক কথার মধ্যে শুনিয়েছিলেন ‘বিধবা গ্রাম’-এর কথা। এখনও এই শব্দবন্ধটি ভেসে বেড়ায় সুন্দরবনের আনাচে-কানাচে।

→