মালবিকার মালার চাইতে সাধারণের চিত্তে জ্ঞানের আলোর বিকিরণই রবীন্দ্রনাথের কাছে শ্রেয় বলে মনে হয়েছিল।
কীভাবে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য ধর্মকে ব্যবহার করে দাঙ্গা লাগাতে হয়, তার নিখুঁত ছবি রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে-বাইরে’।
রবীন্দ্রনাথের রামায়ণ পাঠের এই রীতি অবশ্য উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের পছন্দ হবে না।
হরনাথ পণ্ডিতদের অসম্মানের জগতের বাইরে পড়ুয়াদের ভালোবাসা আর সম্মান দিতে চেয়েছিলেন বিদ্যালয় শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ।
দুঃখের হলেও সত্য, ভুল রাজনীতির উপসর্গে খানিক ডুবে গিয়েছিলেন সুভাষ।
পরিণত রবীন্দ্রনাথ কিন্তু আবেগসর্বস্বতাকে পছন্দ করতেন না। বরং বাঙালির আবেগের অতিরেক তাঁর বিরক্তির কারণ।
কোনও গ্রন্থকে যখন ধর্মীয় দল-বিশেষ বিচার না করে বোধহীন কুক্ষিগত মন্ত্রের অবয়ব বলে প্রচার করতে চায় তখন সেই মন্ত্রতন্ত্রের অচলায়তন ভেঙে ফেলার পক্ষপাতী রবীন্দ্রনাথ।
লেখা ছাপানোর ও লেখা প্রকাশের সহজ-সুযোগের সুনিপুণ ব্যবহারকারীরা যদি নিজেদের সৃষ্টিরাশিকে খানিক বঙ্কিম-রবীন্দ্রনাথের পন্থায় সম্পাদনা করতেন তাহলে বাহুল্য কিছু কমত।
রথীন্দ্রনাথের কবিতা লেখার ইচ্ছে কি রবীন্দ্রনাথের সম্পাদনার জন্যই অন্তর্হিত হল?
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved