শিব্রামের ছবি এঁকেছেন অন্যূন ৩০ জন শিল্পী। হর্ষবর্ধন-গোবর্ধনের ছবিও এঁকেছেন ১৫ জন, বিনির ছবি এঁকেছেন সাতজন শিল্পী। এছাড়া নকুড়মামা, ভালুমাসি, আলুমাসি, রামডাক্তার এবং জবার ছবি এঁকেছেন একজনই– শৈল চক্রবর্তী। ‘বাড়ী থেকে পালিয়ে’ বইয়ের যে তিনটি সংস্করণ দেখার সুযোগ হয়েছে তার চিত্রকরও শৈল চক্রবর্তী।
কয়েক বছর ধরে দেখা যাচ্ছে এই ধরনের ‘বিশেষ’ সংখ্যাগুলিতে মোট প্রকাশিত লেখার আট আনা থেকে বারো আনাই হয় ভূতের গল্প অথবা রহস্য-রোমাঞ্চমূলক গল্প-উপন্যাস। বাকি যেটুকু পড়ে থাকে, তা ‘ছবিতে গল্প’ বা ‘হাসির গল্প’ দিয়ে ভরে নেওয়া হয়। পাঠকের সবুজ হৃদয়ে যাকে বলে ‘অবুঝ ব্যথা’ যাতে কোনওভাবেই না লাগে তার জন্য কর্তৃপক্ষ যারপরনাই সচেষ্ট!
প্রতুল বন্দ্যোপাধ্যায় আমৃত্যু দেব সাহিত্য কুটীরের বার্ষিকীগুলিতে ঘনাদার ছবি এঁকে গেছেন। মাঝে দু’বছর বলাইবন্ধু রায় ঘনাদার ছবি আঁকেন কিন্তু তিনি সম্পূর্ণভআবে প্রতুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুসারী। তাঁর ঘনাদার চুল সমকালীন অভ্যাস অনুযায়ীই সম্ভবত, ঘাড়ের কাছে নির্মমভাবে চাঁছা। পরের দিকে প্রায় সর্বত্রই অজিত গুপ্তর প্রভাব প্রকট। শিল্পীরা নিজস্ব কল্পনা অনুযায়ী সেই চেহারাকেই ঘষে মেজে নিয়েছেন। বিমল দাস, সুবোধ দাশগুপ্ত, নারায়ণ দেবনাথ, ধীরেন বল প্রমুখ যশস্বী শিল্পীরাও ঘনাদা অলংকরণ করেছেন বিভিন্ন সময়ে, নিজের মতো করে।
প্রথম সংখ্যাটি প্রকাশের সময় সম্পাদকের বক্তব্য ছিল কিঞ্চিৎ দ্বিধাজড়িত। একটি পৃথক গ্রন্থ হিসাবেই সংখ্যাটিকে ভাবছিলেন তাঁরা। সম্পাদকের নিবেদনে সেই সংশয় স্পষ্ট– ‘আগামীবারে এই বই আরও বিরাট আকারে বাহির করিবার ইচ্ছা রহিল।... তবে এর সাফল্যের সবটাই নির্ভর করিতেছে চিত্র-প্রিয়দের সহানুভূতির উপর।...’
বিজ্ঞাপনের কর্মব্যস্ততার মধ্য়েও রণেন আয়ান দত্ত যে সমস্ত অলংকরণ করেছিলেন।
পুস্তিকা নয়, আসলে একটি গোটা কাগজকেই চারভাঁজ করে ছাপা হত ‘প্রতিক্ষণিকা’। প্রথম বছর (১৯৮৬) প্রতিদিন থাকত একাধিক বই-বিষয়ক স্বাভাবিকভাবেই সংক্ষিপ্ত প্রবন্ধ এবং সাহিত্য বিষয়ে ধাঁধা, প্রথম নির্ভুল উত্তরদাতার নাম ছাপা হবে এবং তাঁকে একটি বই উপহার দেওয়া হবে এমন একটি প্রতিশ্রুতি-সহ। থাকত বইমেলার একটি ধারাবিবরণী থাকত।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved