Robbar

হিন্দিতে অভিনয় করতে পারলে মনোজ ভারতের এক শ্রেষ্ঠ চরিত্রাভিনেতা হিসেবে সম্মান পেতেন

মনোজের বাড়িতে অল্পসময়ের জন্য গেলেও অবধারিতভাবে লুচি-তরকারির প্লেট সামনে এসে যেত, ভূরিভোজ অনিয়মিত ছিল না, আর আমার বাড়িতে নেমন্তন্নে এলে তিনি ল্যাজ আর মাথা প্লেট ছাপিয়ে যায় এইরকম পাবদা মাছের বায়না দিয়ে রাখতেন।

→

এক গভীর রাতে সমুদ্রতীরে বসে রাজনীতিতে আসার সংকল্প নিয়েছিলেন বুদ্ধদেব

মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে যে মন্ত্রিত্বই তাঁর হাতে থাক, বুদ্ধদেব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর কাছে অতি নির্ভরযোগ্য এক সেনাপতির মতো। ‘আপনারা বুদ্ধর কাছে যান, বুদ্ধ ওসব কালচার-ফালচার বোঝে’– জ্যোতিবাবুর এই উক্তি যথার্থ কি না জানি না, কিন্তু কথাটা মিথ্যে ছিল না।

→

কে শিক্ষক, কে ছাত্র

শিক্ষক আর ছাত্র বলে কোনও মৌলিক দ্বিধান বা বাইনারি কিছু নেই।

→

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়কে রবীন্দ্র পুরস্কার দেওয়া নিয়ে অনেকের আপত্তি থাকলেও, বুদ্ধদেবের ছিল না

২০০৪-’০৫ সালে যখন আমার শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের ডক্টরেটের তকমা নিয়ে এখানকার একদল বুদ্ধিজীবী শোরগোল তোলেন, তখন বুদ্ধ চিনের প্রাচীরের মতো আমার পাশে দাঁড়িয়েছিল।

→

বাংলাদেশে আর কি কখনও মুজিবের মূর্তি গড়ে উঠবে?

শেখ মুজিবের খুবই প্রিয় ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নামে এক ব্যক্তি, যাঁর একটি গান বাংলাদেশেরও জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয়েছে। জানি না, সে গানটির ভাগ্য কোনদিকে দুলবে।

→

ছায়াসুনিবিড়

রবীন্দ্রনাথের ছায়া, বাঙালি মননে এখনও?

→

পুরনো দিনের নির্বাচনও ভাষাব্যবহারের দিক থেকে খুব নিরামিষ ছিল না

আগে কি এরকম ছিল?  নির্বাচনের আগে এই অসৌজন্য, এই অপমানজনক, কখনও হিংস্র ভাষার ব্যবহার?

→

বইমেলার গেটে কবি অরুণ মিত্রকে স্যালিউট করেছিল পুলিশ

পুরনো বইমেলার স্মৃতিচারণ, রোববার.ইন-এর ‘বইমেলাধুলো’ সিরিজের পঞ্চম লেখা।

→

‘ইন্ডিয়া’ কথাটা ইংরেজরা তৈরি করেনি

সাপকে বলো ‘লতা’, আর বাঘকে বলো ‘বড়মিঞা’ বা ‘বড় শেয়াল’। ব্যস, নিশ্চিন্দি। এ এক অদ্ভুত কুসংস্কার। অবিশ্যি কুসংস্কার আমাদের নেতাদের প্রিয় ব্যসন, কারণ কুসংস্কারই এঁদের কাছে বিজ্ঞান।

→

শ্রীশ্রীসিসিটিভি-মাহাত্ম্যে কি মুছে যেতে পারে অপরাধ?

যাদবপুরের ঘটনার প্রেক্ষিতে উঠল প্রশ্ন। লিখেছেন পবিত্র সরকার।

→