হিন্দি কবি ও কথাকার বিনোদ কুমার শুক্ল গত ২৩ ডিসেম্বর চলে গেলেন। তাঁর যাওয়ার সঙ্গে কাকতালীয়ভাবে জুড়ে গেল আরাবল্লি বাঁচানোর আন্দোলন। প্রকৃতির ওপর শ্যেন দৃষ্টির কারণ যে মানুষের সীমাহীন চাহিদা আর প্রাকৃতিক সম্পদের চড়া বাজারদর, সেই কথাটা তিনি আমাদের অনেক দিন আগে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন।
বিশ শতকের বাংলা পত্রিকার ইতিহাসে ‘প্রবাসী’ এক ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করে আর এই পত্রিকাটিকে কেন্দ্র করে বাংলা প্রকাশনার একটা মানদণ্ডও তৈরি হয়ে যায়। কিন্তু দণ্ড মিললেও রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের মতো দণ্ডধারী মেলা খুবই কঠিন ছিল। কথাটা সে-যুগের মতো এ-যুগেও সত্যি।
বাংলা ভাষা আর বাঙালিদের সঙ্গে তাঁর বিনিময় ছিল না বললেই চলে। তাঁর কবিতা বাংলা ভাষায় নয়ের দশকের আগে অনুবাদ হয়েছে বলে মনে পড়ছে না। রমাকান্ত রথও বাংলা কবিতা পড়তেন না। বাংলা বর্ণমালা শেখেননি আর সে কথা নিজের মুখে আমাকে বলেছিলেন।
কিন্তু যার নাম লম্বোদর তার পেট বড় না হলে চলবে কেমন করে! তার সমাধান শিল্পী করে দিয়েছে। গণেশ মাটিতে বসে কোলে একটা মাদল রেখে বাজাচ্ছে। সেটাই ভুঁড়ির মতো দেখাচ্ছে।
‘এ ঘোর সংসার কাননে’ শান্তি আনে রবীন্দ্রনাথের গানের সরল ভাব, সুমিষ্ট ভাষা আর প্রাণস্পর্শী অনুভূতি।
শিকল সব সময়ে ছিঁড়তে পারেননি কিন্তু তাঁর জীবন ও লেখায় সে চেষ্টা আমৃত্যু করে গেছেন সমরেশ বসু। আজ, ১১ ডিসেম্বর, সমরেশ বসুর জন্মদিন শতবর্ষ স্পর্শ করল।
বিগত পাঁচ দশকে ইংরেজিতে লেখা ভারতীয় কবিতায় জয়ন্ত মহাপাত্রের স্বর সবচেয়ে ঘন, পরিশীলিত এবং গভীর। লিখছেন রামকুমার মুখোপাধ্যায়
শতবর্ষ আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বিশ্বভারতী গ্রন্থালয়। লিখছেন রামকুমার মুখোপাধ্যায়।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved