এক রাজনৈতিক তোলপাড়ের মধ্যে ৩৭ বছর বয়েসে নিঃস্ব ও ফ্লোরেন্সে থেকে নির্বাসিত হলেন দান্তে। তিনি একা এবং গরিব। নিরাশ্রয় তিনি। পথে পথে ঘুরছেন এবং চালচুলোহীন অবস্থায় লিখে চলেছেন এমন এক স্পিরিচুয়াল প্রণয়ের মহাকাব্য, যার তুলনা নেই পৃথিবীতে।
স্যর রিচার্ড সংস্কৃতে কথা বলতে পারেন। ‘অনঙ্গরঙ্গ’ অনুবাদের সময় তিনি জানতে পারলেন, বাৎস্যায়নের ‘কামসূত্র’-এর কথা। এবং বোম্বাই থেকে জোগাড় করলেন সংস্কৃত কামসূত্রের একটি পুরনো কপি। জয়পুর আর বারাণসী থেকে আরও তিনটি পৃথক পুঁথি জোগাড় করলেন। শুরু হল রিচার্ডের নিপুণ সম্পাদনা এবং অনুবাদ।
গভীর রাত্রে ঝুম্পার ‘রোমান স্টোরিজ’ শেষ করে আমার মন পৌঁছচ্ছে এক বিহ্বল প্রশ্নে: কেমন সেই লেখার টেবিল, যার বুকে ঝুম্পা লিখতে পেরেছেন ‘দান্তে আলিগিয়েরি’র মতো বিরল গল্প? যে গল্পের দান্তে-তাড়িত সন্ধানী গবেষকের মতো ঝুম্পা বলতে পারেন, আমার নিজের কোনও ভাষা নেই। আমার নিজের কোনও দেশ নেই। পৃথিবীর সব দেশ আমার। সব ভাষাও আমার।
নারী-পুরুষের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে এই লেখা, প্যারিস থেকে কলকাতা পর্যন্ত বিস্তৃত। ১৪ ফেব্রুয়ারির কথা মনে রেখে চলুন আমরা বরং যাই, এক বাঙালি প্রেমে, ১০০ বছর আগে।
উত্তর-আধুনিক ইউরোপিয়ান উপন্যাসের ইতিহাসে এই উপন্যাস নিঃসন্দেহে একটা সরণিফলক। জগৎ-বিখ্যাত উপন্যাস। যার লেখক এক বর্ণময় ভাবমূর্তির এবং বিশ্বব্যাপী প্রসিদ্ধির নির্বাসিত নিঃসঙ্গ মানুষ। আরও একটু বলি, তার লেখার টেবিলের রং ছিল কালো। আর তিনি ছিলেন প্যারিসবাসী। ভালোবেসে ছিলেন এই পরবাসের নিজবাস! তাঁর ভাবনার টেবিল ছিল বাড়ির কাছেই এক সুরানিলয়ে।
অঞ্জনের ‘অঞ্জন নিয়ে’ এমন এক আত্মস্মৃতি, যেখানে কিছু এমন ভাঙচুর হয়েছে, যা ঘটানো অঞ্জন ছাড়া কারও পক্ষে সম্ভব নয়।
স্বামী বিয়ের বাইরে পা ফেলে অন্য নারীর আঁচ পোয়াবে স্ত্রীকে জানিয়ে। স্ত্রী বিয়ের গণ্ডির বাইরে ভিন্ন পুরুষের ওম পোয়াবে স্বামীকে অবগত রেখে। যেমন এক রান্না রোজ খাওয়া যায় না। স্বাদ বদলের প্রয়োজন আছে। তেমনই আর কী! এতে কোনও অন্যায় নেই। এইটুকু মেনে নিতে পারলে বিয়েটা সহনীয় হয়ে উঠতেও পারে।
এই উপন্যাসের শেষে কিন্তু নেই কোনও মৃত্যু ও বিদায়। কেননা কোনও জীবন কখনও শেষ হয় না। অ্যানি এরনো বিশ্বাস করেন, প্রতিটি জীবনের অন্তহীনতায়। আর বিশ্বাস করেন, জীবনের পরম প্রাপ্তি ‘eroticism’: যৌন উদ্দীপনা এবং রাগমোচনের সেই বহু ঈপ্সিত শীর্ষ সেকেন্ড!
তপন সিংহ, আপনার ঘৃণা, তাচ্ছিল্য, অপভাষার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। না-হলে সাগরদা, সুনীলদা, পূর্ণেন্দুদাকে আমি অমন দাত্রী নৈকট্যে কাছে পেতাম না।
একদিকে অবৈধ সম্পর্কের তীব্রতা এবং আনন্দ। অন্যদিকে সেই সম্পর্কের যন্ত্রণা, দহন। সেই সম্পর্কে অপমানের অন্তর-স্রোত এবং অসহনীয় আঘাত। অ্যানি এরনো সেটাই স্পষ্টভাবে বলেছেন।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved