

জীবনে যদি না-গ্রহণ করতে পার একঘেয়েমি, কোনওদিন তুমি পাবে না তোমার মগ্নচৈতন্যের অপূর্ব অবদান। যে-অবদান তোমার জীবনকে সার্থক ও সম্পূর্ণ করবে।
নিবিড় আঁধারে আপনি আমাকে দিয়েছিলেন নির্ভয়নিলয়। এবং হাত ধরে এই প্রতিশ্রুতি, ছেড়ে যাবেন না। আমি জানি ছেড়ে আপনি যাননি। আমিও যাইনি আপনাকে ছেড়ে। দেখা হবে। হয়তো তাড়াতাড়ি। জীবন তৈরি করে আলোকবর্ষের দূরত্ব। মৃত্যু আমাদের প্রত্যেককে মুহূর্তে করে আত্মীয়। টুটু বোসের প্রয়াণে বিশেষ স্মরণলেখ।
অমৃতা। অমৃতা শেরগিল। প্রেমে পড়েছেন। নিজের প্রেমে। ভরা যৌবন তাঁর। কিন্তু তিনি জানেন না তাঁর সঠিক পরিচয়। কোনও কোনও পুরুষ তাঁকে বলেছে, তাঁর প্রথম ও শেষ পরিচয়– তিনি সুন্দরী। তাঁর শুনতে ভালো লেগেছে এই ইঙ্গিত ও ইশারা। কিন্তু অমৃতা চান, তাঁর পরিচয় পেরিয়ে যাক তাঁর শরীর।
রঘুর একটা কথা মনে আছে: আমি নষ্ট নেগেটিভ রেখে দিই। ফেলে দিই না। ওগুলো আমার ব্যর্থতার চিহ্ন। রঘুর মৃত্যুর পরে তার এই কথাটা আমার মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। রঘুর কিছু ব্যর্থ নেগেটিভ থেকে ছবি করে যদি কোনওদিন প্রকাশ করা যায়?
নিষিদ্ধ মাংস থেকে ম্লেচ্ছ ধর্ম থেকে অবৈধ সম্পর্ক থেকে অসামাজিক জীবন– সব কিছুর প্রতি আজীবন অমোঘ টান অনুভব করেছেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। সবকিছুর জন্য কি দায়ী নয় তাঁর ভাবনা এবং সৃষ্টির টেবিলটা? ওই টেবিলটা কি তাঁকে নিয়ে যায়নি একটার পর একটা তাড়নায়?
১৯৫৮। আমার জীবনে ওপি এল, তোলপাড়! অসামান্য সুন্দরী নায়িকা মধুবালার ঠোঁটে আমি গাইলাম ওপির সুরে ‘আইয়ে মেহেরবান’। রাতারাতি ভারত জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল আমার কণ্ঠের রতিস্নান। আমি বুঝলাম এই গানের সবটুকু, সব মায়া ও মাদক, আমার কণ্ঠের জন্য রচনা করেছে ওপি।
রাজা রবি বর্মার সমস্ত অয়েল পেন্টিং রোমান্টিকতায় অফুরান। এতটুকু আজও নিভে যায়নি তাদের আবেদন, ক্লান্ত হয়নি তাদের উজ্জ্বলতা, নিস্তেজ হয়নি তাদের প্রাণ।
২২ মার্চ ইতালির এক আর্ট গ্যালারির দরজা ভেঙে অনেক রাতে চোরের দল যে ছবিটা চুরি করেছে, তার মধ্যে আছে হেনরি মাতিসের অমূল্য ওদালিস্ক সিরিজের সেই ছবি, যার মডেল হেনরিয়েটা।
চণ্ডীমঙ্গল লেখার সময় মুকুন্দ জন্মস্থান বর্ধমান ছেড়ে আরড়ায়। কিন্তু জায়গাটা ঠিক কোথায়? খোঁজ দিলেন সুকুমার: ঘাটালের শালবনী স্টেশনের একটু দূরে, পূর্বদক্ষিণে। মুকুন্দকে কে স্পনসর করছেন? কে তৈরি করছেন তাঁর ব্র্যান্ড? ব্রাহ্মণ রাজা, পালাধিগাই বীর বাঁকুড়া দেব। এই রাজার ছেলেকে মুকুন্দ পড়ায়।
মনুর মতে, শাসককে বাতাসের মতো অদৃশ্য হয়ে সর্বত্র উপস্থিত থাকতে হবে। কোনও কিছুই গোপন থাকবে না। অথচ সাধারণ মানুষ বুঝতেও পারবে না, শাসক সব দেখছে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved