Robbar

ছাব্বিশের বইমেলা বাণীপ্রধান!

মেলার চারদিকেই শব্দের বাগান, স্বপ্নের দৃশ্য। চোখ কচলে, গায়ে চিমটি কেটে নিজেকে আশ্বস্ত করার প্রয়োজন নেই। যাহা ঘটিল, তাহাই সত্য। স্টলে স্টলে দলে দলে লোক যে ভেসে যায়।

→

বই পোড়ানোর চেয়ে গুরুতর অপরাধ বই না পড়া

এমন কথাই বলেছিলেন জোসেফ ব্রডস্কি। দেখা গেল বইমেলায় জ্বলজ্বল করছে এ-কথা। তৃতীয় দিন বইমেলায় গরম বেশি। প্রথম শনিবার। হল্লাও বেশি। হয়তো বিক্রিও। মেলার মাঠে ধীরে ধীরে নতুন, টাটকা বই ঢুকে পড়ছে। পাঠকেরাও আহ্লাদিত। কেউ কেউ দাম দেখে আঁতকেও উঠছেন। সব মিলিয়ে মেলা জমে উঠেছে। আজ রবিবার, কাল সাধারণতন্ত্র দিবসের ছুটি। আমাদের যদিও ছুটি নেই। বইমেলায় রোজ আমরা থাকছি। থাকছে আমাদের কড়চাও। পড়বেন কিন্তু!

→

মালিককে গিয়ে বল, ‘ব‌ইমেলা’ এসেছে!

মেলার দ্বিতীয় দিন। তায় সরস্বতী পুজো। দুয়ের যুগলবন্দিতেই কি উইক-এন্ডে ব‌ইমেলা জমজমাট? উত্তর খুঁজতে আপনাকে ফেলুদা হতে হবে না। কারণ, যে মেলায় এক‌ই সময়, এক‌ই মঞ্চে হাজির থাকেন অঞ্জন দত্ত, অনির্বাণ ভট্টাচার্যর মতো ব্যক্তিত্ব, সেখানে ভিড় তো জমবেই। বইমেলার কড়চা। জানাচ্ছে রোববার ডিজিটাল। জানাবে রোজ।

→

ইতনা বেঙ্গলি বুকস!

কলকাতা বইমেলা ২০২৬। ঘুরে-ফিরে দেখা। ইতিউতি স্টলে ঢুঁ। মাইকে চিৎকার। বিস্মিত বালক-বালিকার মুখ। বইয়ের গন্ধভরপুর। নানা কারুকাজ। নতুন বই-পুরনো বই। পুরনো প্রিন্টের বই, যাহ ফক্কা, দেরি করে এলে মিস! সইসাবুদ, লেখক পাকড়াও, পাঠক পাকড়াও! প্রথম দিন কেমন গেল? জানাচ্ছে রোববার ডিজিটাল। জানাবে রোজ। বইমেলার কড়চায়।

→

বিভেদের বিরিয়ানি

রাজনৈতিক মেরুকরণের ছায়া এবার খাদ্যসংস্কৃতিতেও। বিরিয়ানি ও অন্যান্য খাদ্যপণ্যের লেনদেন ধর্মের ছাতায় আনার আহ্বান রাজ্যের এক বিরোধী নেতার মুখে। ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোয় এ আদতে ধর্মীয়-বিভাজনের ঘনানো অন্ধকার।

→

দিল্লি-দূষণের আসামি তন্দুরি! নেপথ্যে আমিষে অ্যালার্জি?

দিল্লির দূষণকে আঁকড়ে ধরে আমিষপ্রেমীদের স্বাদের মানচিত্রে কোপ মারাই কি তন্দুর ব্যানের মুখ্য উদ্দেশ্য?

→

রবীন্দ্রনাথ চমকাবেনও না, মচকাবেনও না

রবীন্দ্রনাথকে ‘অশিক্ষিত’ বলা হল। বাঙালি তবু নিশ্চুপ।

→