Robbar

চন্দনা হোরের নিজস্ব ব্যথার পূজা

চন্দনার কাজ আমাদের সময়ের কাজ। আমরা যারা থিতু হতে চেয়েছি, দেশ চেয়েছি, ঘর চেয়েছি, রাষ্ট্রের কাছে সমাজের কাছে নিরাপত্তা চেয়েছি, পড়শীর কাছে আত্মীয়তা আর মানুষের কাছে শুশ্রুষা চেয়েছি তাদের চুরমার করা যন্ত্রণাগুলি নিয়ে, প্রেম পীড়ন প্রতিরোধের আর্তিগুলি নিয়ে তাঁর নিজস্ব ব্যথার পূজা।

→

নব্য হিন্দুত্বের উদযাপন এখন ইশকুলের উচ্চশিক্ষিত স্টাফরুমে

মিডিয়ামগ্ন যে-হিন্দু শিক্ষক বিশ্বাস করতে শুরু করেছেন, ওদের জন্যই ‘আমাদের’ দেশের এই অবস্থা, তিনি কি এতটা অপরায়ন ভিতরে বহন করে ক্লাসে তাঁর মুসলিম পড়ুয়াটিকে শ্রদ্ধা করেন মন থেকে?

→

তোমার রঙেরই গৌরবে: যৌনতার চৈতন্যধারা

‘বিহরতি হরিরিহ সরসবসন্তে…’ এইটুকু শুনে কি উঠে দাঁড়ালেন গোরা! মৃদঙ্গ মর্দলায় চারমাত্রার বোল উঠেছে, বেজেছে মঞ্জিরা, ভিতরে ভিতরে মঞ্জরীভাবে বারবার নৃত্যপর হয়ে উঠছেন গোরাচাঁদ। নীলাচলে তিনি কালা নন, রাধা।

→

শংকর শুধুমাত্র বিয়েবাড়ির উপহার আর শয্যাপাশের উপন্যাস?

যে শ্যামলেন্দু ভালোবাসত শেক্সপিয়র পড়তে, সে যখন নিজের কর্পোরেট উচ্চাশার কাছে সমর্পণ করে ক্ষমতার নিষ্ঠুর নোনাজল মেখে ফেলে– তার গভীর আত্মগ্লানি যে ভাষায়, যে রূপকল্পে দেখান শংকর, তাতে বোঝা যায়, কীভাবে তিনি প্লটের গাঁথনিতে মিশিয়ে রাখছেন তাঁর শেক্সপিয়র ট্রাজেডির পাঠ।

→

বিরহর আসল মানে ‘রহো’

প্রেমের সপ্তাহ চলছে। প্রেম থাকলে, বিরহ তো থাকবেই। বহুকালের বহুমাত্রার বিরহ ছুঁয়ে যায় আমাদের জীবৎকাল। স্মৃতি-সত্তা-ভবিষ্যৎ জুড়ে মিশে যায় সেই মনখারাপের অপূর্ব রেণু।

→

‘গোমাতার সন্তান’ বনাম স্বামী বিবেকানন্দ!

এই বাংলায় সেই কোন কালে জয়রামবাটি নামের এক অজ পাড়া-গাঁয়ে সারদামণি নামের এক বামুনের বিধবা আমজাদ নামের এক মুসলিম জোলার এঁটো পাত কুড়িয়ে তাঁকে সন্তানের সম্মান দিয়েছিলেন, এই কথাটি ভুলে গেলে চলবে?

→

‘ছায়ানট’-এর শরীরে আঘাত করে মারটা কি রবীন্দ্রনাথ পর্যন্ত পৌঁছল?

আজ যদি শান্তিনিকেতনের উপাসনাগৃহ আঘাত পায়, আমি মনে করি, ঠিক তেমনই আঘাত পেয়েছে ছায়ানট।

→