Robbar

দ্বিধাই শহীদুল জহিরের আখ্যানের কেন্দ্র

শহীদুল জহিরের গল্পে কোনও চূড়ান্ত উচ্চারণ নেই। অর্থ বারবার সরে যায়, ঘটনা ফিরে আসে, পরিসমাপ্তি স্থগিত থাকে। এই স্থগিত করে রাখা, না-বলা, দ্বিধাই– শহীদুল জহিরের আখ্যানের কেন্দ্র, তাঁর গভীরতম রাজনৈতিক অবস্থান।

→

কেন ইরানকে উচিত শিক্ষা দিতে চায় আমেরিকা?

ইরান মার্কিন স্যাংশানে। অথচ তারপরেও সেই স্যাংশনকে টপকে তেল ঠিক বিক্রি করে গেছে তারা। কিশ দ্বীপে খুলে ফেলেছে পেট্রল এবং পেট্রোলিয়াম জাত পণ্যের ডলার-বহির্ভূত বাণিজ্যের জন্য কমোডিটি এক্সচেঞ্জ– ইরানিয়ান অয়েল বোর্স। রাশিয়া এবং চিনের সঙ্গে পেট্রো-ডলার বিরোধী ব্লক তৈরি করেছে।

→

যে শীতে আচ্ছন্ন হয়েছিলেন শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ও

‘হিম পড়ে গেল’ রাজনৈতিক উপন্যাস নয়। অথচ তার নিগঢ়ে যে লুকিয়ে রয়েছে সেই বোধ। সেই হিংস্র সময়ের আভাস।

→

রাজনীতির মহৎ আদর্শের বুকনিকে ঢপবাজি বলে চিনতে শিখিয়েছেন অসীম রায়

প্রায় প্রফেটিক দক্ষতায় অসীম রায় লিখে গিয়েছেন বাঙালি জীবনের কথা। তার সর্বংসহা হয়ে ওঠার কথা। কিংবা শুধু নিজের জীবনটাকে নিয়েই মিথ্যে ভালো থাকার আছিলার কথা।

→

সাদত হাসান মান্টো: একজন দর্জির নাম

ছোটগল্পের আসলে শক্তি তার ঈঙ্গিতময়তায়– পেঁয়াজের খোসার মতো তার অসংখ্য পরতে। আর সেটাই কী আশ্চর্য দক্ষতায় করেছেন আপনি, সাদাত হাসান মান্টো। ইঞ্চি ইঞ্চি মেপে, কাঁচি দিয়ে আখ্যানকে নিখুঁত মাপে কেটে কেটে, বলা না-বলার সুতো দিয়ে সেলাই করে। দৃশ্য-অদৃশ্যের খেলা খেলে।

→

যে দেশ হাঁটে, হাঁটতেই থাকে– তাকেই চেনাতে চেয়েছেন দেবেশ রায়

দেশ বদলে যায়। বদলে যায় দেশ-চেতনাও। কিন্তু তার নিগূঢ়ে থেকে যায় দেশজ ঐতিহ্য। উপন্যাস তথা আখ্যানের বয়ানে দেবেশ রায় সেই ঐতিহ্যেরই বারবার তালাশ করেছেন।

→