Robbar

বাংলা ভাষার থেকে আমি কী পেলাম

একটা সময় এল। একটা চাকরি জুটল। তখনও মাথায় কবিতার ভূত। কয়েক মাস চাকরি করার পর কৃত্তিবাসের একটা সংখ্যা এনে আমার বস বললেন, ‘তুমি যে কবিতা ছাপাচ্ছ বড়?’ ততদিনে টুকটাক এদিক-সেদিক নানা কাগজে, পত্রপত্রিকায় আমার কবিতা ছাপা শুরু হয়েছে। আমি তাঁকে বললাম যে, ‘হ্যাঁ, কবিতা আমি লিখি তো।’ তিনি তখন বললেন, ‘এই পত্রিকায় কাজ করলে অন্য কোথাও লেখা যাবে না।’ পত্রিকাটি ছিল খবরের পত্রিকা। তাঁকে আমি বলেছিলাম, ‘কিন্তু, আমাদের পত্রিকায় তো কবিতা ছাপা হয় না। তাহলে আমি কবিতা কোথায় ছাপাব?’ তিনি তখন বলেছিলেন, ‘এর সহজ উত্তর হল: কবিতা ছাপাবে না, কারণ তুমি এখানে চাকরি করো।’

→

সহজবোধ্য নয়, এমন কবিতাই গানের জন্য বেছে নিয়েছেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়

এই চ্যালেঞ্জটা প্রতুলদা ইচ্ছে করেই নিতেন। এবং খুব সহজে উতরোতেন।

→

গ্রিনরুম থেকে স্টেজ, এই যৎসামান্য পথটুকুই উস্তাদ জাকির হুসেনের জীবনের সুন্দরতম সফর

নিজেকে বর্ধিত করে, নিজে শাখা-প্রশাখাকে বিরাটভাবে ছড়িয়ে ফেলেও নিজের শিকড়কে তুমুলভাবে আঁকড়ে থাকার নামই জাকির হুসেন।

→

আবছায়া রহস্যময় প্রীতিসম্পন্ন যে গঞ্জের রং আর গন্ধ পুষে রাখি, তার কৃতিত্ব শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়েরই

প্রথম বাঙালি সাহিত্যিক হিসেবে কুভেম্পু রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পাচ্ছেন শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়।

→

কবিতার জগৎ যে অন্ধকার নয়, শঙ্খ ঘোষ বুঝিয়েছিলেন এক মিইয়ে পড়া বিকেলে

শঙ্খবাবু ছিলেন সেই কম্পাস, সেই ধ্রুবতারার মতোই, হালভাঙা নাবিক যার দিকে তাকিয়ে খুঁজে নিতে পারে কিনার। আমি তাই স্মরণ করি না ওঁকে। স্মৃতি তো তাঁর, যিনি নেই। আমার দৈনন্দিনে ওঁর ভাবনা এত বেশি বিদ্যমান যে, স্মৃতি বলে তাকে মেনে নিতে পারি না।

→