একুশ শতকের ভারতে, এমনকী কখনও বাংলাতেও বিশেষ রাজনৈতিক মদতপুষ্ট ব্যক্তিরা হুংকার ছাড়েন আমিষ বর্জনের। খবরে প্রকাশ, দেশের কোথাও-কোথাও না কি নবরাত্রির সময় (হায়! আমরা আগে রামনবমী নয়, অন্নপূর্ণা পুজো বলতাম) হপ্তাভর আমিষ খাওয়া নিষিদ্ধ। কলকাতায় চিকেন প্যাটিস বিক্রেতা রিয়াজুলকে হেনস্তার খবরও অজানা নয়। কিন্তু বু.ব.-র লেখায় পড়ছি স্বয়ং বাল্মীকি তাঁর কাব্যে বনবাসী রাম-লক্ষ্মণকে প্রায়ই দেখিয়েছেন মৃগয়ায় পাওয়া রাশিকৃত পশু নিয়ে ঘরে ফিরতে।
আজকের ভাষায় ‘সোলো ট্রিপ’। একা নিজের সঙ্গে। তার রস পেতে গেলে একা হতে জানতে হয়। মুদ্রাদোষের মতো একা হওয়া। নইলে যাহা নগর কলিকাতা, তাহাই কনকনে দার্জিলিং। তা জানতেন ‘শীতে উপেক্ষিতা’র লেখক।
শ্রীরামকৃষ্ণও কী জানতেন না মাস্টারমশাই কী করতে চলেছেন ভবিষ্যতে? নইলে স্বামী শিবানন্দকে কেন তিনি নোট নেওয়া থেকে বিরত করে বলবেন– ও কাজের জন্য অন্য লোক ঠিক করা আছে।
আমার একটা চরিত্রগত ত্রুটি আছে। আমি যাঁকে পড়তে যাই, বিশেষ করে যাঁর খ্যাতি-সিদ্ধি আছে, মনে করি, তাঁর সঙ্গে লড়াই-ঝগড়া করা আমার কাজ। অতএব আমি মনেই করি না, যাঁকে পড়ছি তিনি উজ্জ্বল লোক। ফলে সম্মুখ সমর। অনেক ভুলভাল কথাও ভাবব খাটো করতে গিয়ে, কিন্তু খাটো করবই।
এই বছরের ১৬ নভেম্বর, শিবাজী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৭০তম জন্মদিন। রইল বিশেষ সাক্ষাৎকার। আজ প্রথম পর্ব।
হাতে করে পুথির পাত না উল্টে পায়ে করে পৃথিবীর পাতা ওল্টানোর দম্ভ ছিল সুভো ঠাকুরের। ছেলেবেলা থেকেই তিনি ‘ছাপাখানার ছারপোকা’। সুভো ঠাকুরের মৃত্যুদিনে ‘সুন্দরম্’ পত্রিকাকে ফিরে দেখা।
রবীন্দ্রনাথের আক্ষেপ ছিল ওরিয়েন্টাল সেমিনারি এবং নর্মাল স্কুলের সহপাঠীদের ‘বন্ধু’ হিসেবে না-পাওয়ায়।
২১ মার্চ, বিশ্ব কবিতা দিবস। সেই উপলক্ষে, রইল বুদ্ধদেব বসুর বাড়ি ‘কবিতাভবন’ নিয়ে লেখা।
তাই গোরাচাঁদ মাস্টার, মনমোহন মহাজন, চেংমান, সাতকাহানিয়া-সাগরপুতুল গ্রাম, বক্সা ক্যাম্প, নদীয়া-চব্বিশ পরগনা-আসানসোল সবই আমাদের চেনা লাগে।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved