

চাষিরা আলাদা করে চাষ করছেন হাতির জন্য। হাতিও চাষির ভাগের ফসল নষ্ট করছে না। এরকম দুর্লভ উদাহরণ সুলভ হোক। এইটুকু তো সভ্য হওয়াই যায়, তাই না?
বিক্ষোভ-বিদ্রোহের কোনও শীর্ষচূড়া হয় না, যেখানে পৌঁছে গেলেই লিখে ফেলা যায় ‘We won’। জয়ের জন্য এই পৃথিবীতে কোনও বিদ্রোহ বোধহয় আয়োজিত হয়ও না। বিরুদ্ধাচরণ এক ধরনের যাত্রা, যা শুধু দাঁড়িয়ে থাকে শাসককে প্রশ্ন করার মধ্যে দিয়েই। সেই ইতিহাস যতখানি লিখিত নথি, ঠিক ততখানিই জরুরি সেই ইতিহাসের ছবি।
গোটা প্রদর্শনীকক্ষে একাকী বেশ খানিকটা সময় কাটালে এই আর্কাইভগুলো জীবন্ত হয়ে কানের কাছে বোধহয় ফিসফিসিয়ে ওঠে, দর্শককে একটা খুব হালকা ধাক্কায় আরামদায়ক জায়গার থেকে সরিয়ে কেমন যেন একটা অস্বস্তির মধ্যে টেনে আনে।
ভোট এলেই নেতারা অদ্ভুত রকমের মাটির মানুষ হয়ে ওঠেন। তাঁরা বোঝাতে চেষ্টা করেন, দুর্জনেরা আর যাই বলুক, তারা আসলেই আমাদেরই লোক, আমাদের প্রতিনিধি। সেজন্যই এই বাসন মাজা থেকে শুরু করে দাড়ি কামানোর সংযোজন। একবারটি ভোট হয়ে গেলেই বোঝা যায়, কে যে কার আপন। কে কাকে ব্যবহার করছে আর কে ব্যবহৃত হয়ে চলেছে অনবরত।
A Unit of: Sangbad Pratidin Digital Private Limited. All rights reserved